Opu Hasnat

আজ ১৫ মার্চ রবিবার ২০২৬,

সৈয়দপুরে জমির মালিকানা দাবি করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন নীলফামারী

সৈয়দপুরে জমির মালিকানা দাবি করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারীর সৈয়দপুরে জমির মালিকানা দাবি করে বিএনপি জড়িয়ে সংবাদ সম্মেলন করার প্রতিবাদে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক অফিসে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ তুলে ধরেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম কার্জন।

তিনি বলেন, উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের বিএনপি সভা রেজাউল করিম রেজা খান চৌমুহনী বাজারের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। সেই ব্যবসায়ীর ভোগদখলীয় জমি জবর দখলের চেষ্টা চালায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর আমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। পরে বিষয়টি আপোষ মিমাংসার জন্য ওইদিন রাতে সৈয়দপুর থানায় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ২৯ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে জমি মাপযোগ করে অভিযোগের স্থায়ী সমাধান করা হবে। কিন্তু প্রতিপক্ষ আমিনুল ইসলাম জমি মাপযোগ বিষয়ে উপস্থিত না থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর রেজাউল করিম রেজা খানসহ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম কার্জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজের অপবাদ দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। এটি অনুষ্ঠিত হয় বিসিক এলাকার একটি গোডাউন ঘরে।

আনিত ওইসব অভিযোগের বিরুদ্ধে রবিবার আরেকপক্ষ তথা ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা রেজাউল করিম রেজা খান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম কার্জন সাংবাদিক সম্মেলন করে আমিনুল ইসলামের অভিযোগ শতভাগ মিথ্যা বলে দাবি করেন।

গতকালের অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, সিএস ও এসএ রেকর্ডীয় মূল মালিক পাতলি বর্মনের কাছে যেসব ক্রেতা জমি কিনেন সেইসব ক্রেতাদের কাছ থেকে জমি কিনে দোকান নির্মাণ করে বিগত ১৮ বছর ধরে ভোগদখলে আছে রেজা খান। অথচ আমিনুল ইসলাম ভুয়া মালিকানা দাবি করে হঠাৎ করে ২৭ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থলে গিয়ে জমির মালিকানা দাবি করে। এ নিয়ে বিবাদ ঘটলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্থানীয় বিশিষ্টজনরা আপোষের চেষ্টা করেও আমিনুল ইসলামের অসহযোগিতার কারণে তা ব্যর্থ হয়।

গতকালের সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাঙ্গালীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম বাবু, বিশিষ্টজন আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী ও নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর আমিনুল ইসলাম সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান, বিএনপির সাইনবোর্ড লাগিয়ে আমার মার্কেট দখল, ভাঙচুর, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে।  সেজন্য আমিও সংবাদ সম্মেলন তা জানিয়েছি। জমির স্বপক্ষে আমার কাগজপত্র রয়েছে।