Opu Hasnat

আজ ১ মার্চ শুক্রবার ২০২৪,

মাগুরা থেকে জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের ২ সদস্য গ্রেপ্তার মাগুরা

মাগুরা থেকে জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

মাগুরা সদর উপজেলার আলমখালী যাত্রী ছাউনি এলাকা থেকে জঙ্গি সংগঠন ‘‘আনসার আল ইসলাম এর দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬। জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম এর দুই সদস্য হচ্ছে ঈষান হায়দার (২৮) পাবনা জেলার রাঘবপুর গ্রামের মো মনিরুল ইসলামের ছেলে। অপর আসামী আব্দুল করিম (২৭) বরিশাল জেলার মানরাতুল কুশুরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দস বারীর ছেলে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আলমখালী যাত্রী ছাউনি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

খুলনা-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ফিরোজ কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-৬ এর একটি দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাগুরা সদর উপজেলার আলমখালী যাত্রী ছাউনি এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম’’ এর দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। এসময়  অজ্ঞাত আরো ৩ থেকে ৪ জন সদস্য পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক বিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা আফগাস্তিানের তালেবানের উথানের উদ্বুদ্ধ হয়ে আল কায়েদা মতাদর্শের জঙ্গি সংগঠন ‘‘আনসার আল ইসলামের’’ কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। তারা বিভিন্ন সময় অনলাইনে বিভিন্ন উগ্রবাদী নেতাদের বক্তব্য প্রচার ও সংগঠনের সদস্য সংগ্রহ করত। তারা বিভিন্ন উগ্রবাদি বই, ভিডিও সরবরাহ করতো। পাশাপাশি তারা মসজিদ, বাসা ও বিভিন্ন স্থানে সদস্যদের নিয়ে গোপনে সভা পরিচালনা করে আসছিল। ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করার জন্য সদস্যদেরকে উগ্রবাদী করে তুলতো। 

গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ঈষান হায়দার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রোডাকশন অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিল। সে একই দলের ইয়াকুব হুজুরের মাধ্যমে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে সংগঠনের যোগদান করে দাওয়াতী কার্যক্রম করত। সে পাবনা জেলার দাওয়াতি শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে কাজ করছিল। পাশাপাশি সে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশের ব্যক্তিদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে আসছিল। 

আটককৃত আব্দুল করিম পেশায় মুদি দোকাদার ছিল। সে গ্রেপ্তার ঈষান হায়দার একই দলের আব্দুল এর মধ্যেমে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে সংগঠনের যোগদান করে। সে তার নিজ এলাকা বরিশালে দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা পাশাপাশি সংগঠনের নতুন সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান করতো।

তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের সাথে প্রাথমিকভাবে কথা বলে জানা যায়, উভয়ের নামেই পূর্বে জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। এ কারণে তারা বিভিন্ন সময় স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।