Opu Hasnat

আজ ২১ জানুয়ারী শুক্রবার ২০২২,

ব্রেকিং নিউজ

দামুড়হুদায় গ্রীস্মকালীন হাইব্রিড টমেটো চাষে সাফল্য কৃষি সংবাদচুয়াডাঙ্গা

দামুড়হুদায় গ্রীস্মকালীন হাইব্রিড টমেটো চাষে সাফল্য

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় আধুনিক পদ্ধতিতে আগাম গ্রীস্মকালীন হাইব্রীড জাতের টমেটো চাষ করে ব্যাপক ফলন পাচ্ছেন উপজেলার বড় দুধপাতিলা গ্রামের কৃষক বিপ্লব হোসেন।বারি হাইব্রিড-৮ জাতের টমেটো খেতে সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে রয়েছে এর ব্যাপক চাহিদা। ফলে তারা দামও পাচ্ছেন ভালো। আগামিতে তিনি আরো বেশি জমিতে চাষের পরিকল্পনা রয়েছেন তিনি।

দামুড়হুদা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, দামুড়হুদার বড়দুধপাতিলা গ্রামের কৃষক বিপ্লব হোসেন কৃষি অফিসের সহায়তায় আধুনিক পদ্ধতিতে বাসের মাচা ও পলিথিনের ছাউনি দিয়ে তিন বিঘা জমিতে বারী-৮ জাতের টমেটার  পরীক্ষামূলক চাষ করেন। ইতোমধ্যে টমেটো বিক্রি শুরু করেছেন।

কৃষক বিপ্লব হোসেন জানান, তিনি কৃষি অফিসের সহায়তায় ৩বিঘা জমিতে আগাম বারী-৮ জাতের হাইব্রীড টমেটোর পরীক্ষামূলক চাষ করেছেন। আগষ্ট মাসের প্রথম সপ্তায় তিনি ক্ষেতে চারা রোপন করেন। পরে বাসের খুটি ও নাইলনের সুতা দিয়ে মাচা তৈরী করে অতিরিক্ত বৃষ্টি ঠেকাতে উপরে পলেথিনের ছাউনি দেওয়া হয়েছে। এতে তার বিঘাপ্রতি প্রায় ৫০হাজার টাকা তিন বিঘায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা  খরচ হয়েছে। বাড়তি খরচ হলেও অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে গাছে ব্যাপক হরে ফুল ফল ভরে যায়। এর পনের দিন পরে কাচা টমেটো বিক্রি শুরু করা হয়। ইতোমধ্যে ১২০ টাকা কেজি দরে প্রায় ১০মন প্রায় ৫০ হাজার টাকার বিক্রি করা হয়েছে। আশা করছি তিন বিঘা জমিতে প্রায় ১৫০মন টমেটো বিক্রি করতে পারবেন। বাজার দর কুমে ৫০টাকা কেজি হলেও  ৩লক্ষ টাকার টমেটো বিক্রি করতে পারবে। এতে তার সকল খরচ বাদ দিয়ে ৬৫ দিনের ফসলে তিন বিঘা জমিতে প্রায় ২ লক্ষ টাকা লাভ হবে। আগামীতে আরো তিন বিঘা  জমিতে এই টমেটো চাষ করবেন বলে জানান তিনি।

দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিধ মনিরুজ্জামান জানান, টমেটো সাধারনত বেলে বেলে দোয়াস মাটিতে ভালো হয়। আমাদের অঞ্চলের মাটি এই চাষের জন্য খুবই উপযুগি। বড়দুধপাতিলা গ্রামের মাঠে বিপ্লব হোসেন কৃষি অফিসের সহায়তায় তিন বিঘা জমিতে আগাম টমেটোর পরীক্ষা মুলক  চাষ  করেছে। তার গাছে ব্যাপক ফুল ফল এসেছে। ইতোমধ্যে সে প্রায় ৫০ হাজার টাকার টমেটো বিক্রি করেছে। বর্তমানে ক্ষেতে যে ধরনের ফুল ফল আছে তাতে ১৫০ থেকে ১৮০মন তুলতে পারবে। বাজার দর অর্ধেকে নেমে আসলে ও তার সকল খরচ বাদ দিয়ে দুই লক্ষাধিক টাকা লাভ হবে। তবে আগামিতে এই চাষ দামুড়হুদায় ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা করছেন।