Opu Hasnat

আজ ২৪ অক্টোবর রবিবার ২০২১,

রুপসা-সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে স্লিপার কোচ নেই, যাত্রী দুর্ভোগ নীলফামারী

রুপসা-সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে স্লিপার কোচ নেই, যাত্রী দুর্ভোগ

রূপসা ও সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত প্রথম শ্রেণির স্লিপার কোচ খুলে রাখা হয়েছে। ফলে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন উচ্চ শ্রেণির যাত্রীরা। তাঁরা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। চিলাহাটি-খুলনাগামী রেলপথে চলাচলকারী ওই ট্রেন দুটিতে দ্রুত কোচ সংযোজনের দাবি করা হয়েছে।

দেশের অস্টম বাণিজ্যিক শহর সৈয়দপুর থেকে প্রতিদিন শত শত যাত্রী খুলনা রুটে ভ্রমণ করেন। অনুরুপ চিলাহাটি, ডোমার, নীলফামারী, পার্বতীপুর, শান্তাহার, ঈশ্বরদী, পোড়াদহ, চুয়াডাঙ্গা ও যশোরের যাত্রীরা ওই ট্রেন দুটি ব্যবহার করে থাকেন। এসব ট্রেনে রয়েছে একটি করে শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত প্রথম শ্রেণির স্লি­পার কোচ। যাতে রয়েছে রাত্রীকালীন ২৩টি শয়ন আসন।প্রচন্ড গরমের কারণে ওই কোচের চাহিদা রয়েছে প্রচুর। কিন্তু টিকিট না পেয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন উচ্চ শ্রেণির যাত্রীরা। তাঁরা বিক্ষুব্ধ হচ্ছেন।

সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনের সহকারি স্টেশন মাস্টার আলমগীর হোসেন জানান, রূপসা ও সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে প্রথম শ্রেণির আসনের চাহিদা ব্যাপক। কিন্তু যান্ত্রিক ক্রটির কারণে ওই কোচ খুলে রাখা হয়েছে। যা মেরামতের জন্য দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রায় মাস খানেক থেকে স্লি­পার কোচটি বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে সৈয়দপুর থেকে খুলনাগামী প্রথম শ্রেণির যাত্রী সেলিমুজ্জামান জনির সাথে কথা হলে তিনি জানান, যেখানে সৈয়দপুর উপজেলায় রয়েছে রেলওয়ে পুলিশ হেড কোয়ার্টার, আরমি ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, উত্তরা ইপিজেড, দেশের বৃহত্তরও রেলওয়ে কারখানা এবং তার বিভাগীয় কার্যালয় সেখানে স্লিপার কোচ খুলে রেখে মেরামতের নামে কাল ক্ষেপন করার কোনো যুক্তি দেখি না।

চিলাহাটি স্টেশন মাস্টার আশরাফুল ইসলাম জানান, প্রথম শ্রেণির কোচ না থাকায় ভিআইপি সিট দিতে ব্যর্থ হচ্ছি আমরা। ভিআইপি যাত্রীরা টিকিট না পেয়ে আমাদের গালমন্দ করছেন।সংরক্ষিত আসনের সাংসদ রাবেয়া আলীম দ্রুত ওই ট্রেন দুটোতে প্রথম শ্রেনির কোচ সংয়োজনের দাবি করেছেন। তিনি এ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি চিঠি (ডিও) দিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ে।

তিনি জানান, গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন দুটিতে স্লিপার কোচ নেই ভাবতে অবাক লাগছে।এ নিয়ে কথা হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) মো. জয়দুল ইসলামের সাথে। তিনি জানান, ওই দুটি ট্রেনের কোচ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই কোচটি ট্রাফিক বিভাগে হস্তান্তর করা হবে।