Opu Hasnat

আজ ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার ২০২১,

ব্রেকিং নিউজ

কালকিনিতে ফেষ্টুন ছেড়ার প্রতিবাদ করায় সংঘর্ষ, কাউন্সিলরসহ আহত ৭ মাদারীপুর

কালকিনিতে ফেষ্টুন ছেড়ার প্রতিবাদ করায় সংঘর্ষ, কাউন্সিলরসহ আহত ৭

মাদারীপুরের কালকিনিতে ফেষ্টুন ছেড়ার প্রতিবাদ করা নিয়ে বর্তমান ও সাবেক কাউন্সিলরের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলরসহ ৭জন আহত হয়েছে। আহতদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্নস্থানে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী, এলাকা ও পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, কালকিনি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ আনোয়ার হোসেন বেপারীর উদ্যোগে গত ১৮ জুলাই কোরবানির ঈদ উপলক্ষে স্থানীয় এমপি ড. আবদুস সোবহান গোলাপকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা দিয়ে তার ওয়ার্ডের বিভিন্নস্থানে ফেষ্টুন টানানো হয়। ওই সকল ফেষ্টুন ঈদের রাতেই দুর্বৃত্তরা ছিড়ে ফেলেন। কিন্তু তখন কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারীর সমর্থক হৃদয় সরদার এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় একেই এলাকার সাবেক কাউন্সিলর তোফাজ্জেল হোসেন দাদনের সমর্থক রুবেল সরদারের মধ্যে প্রথমে বাকবিতন্ডা হয়। পরে রুবেল সরদারের নেতৃত্বে মাসুম সরদার, আবদুল সরদার ও বারেক সরদারসহ বেশ কয়েকজন মিলে হৃদয় সরদারের উপর হামলা চালায়। এক পর্যায় উভয় পক্ষই সংঘর্ষে জরিয়ে পরে। এ সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারী (৫০) গুরুতর আহত হন। এছাড়া বিল্লব বেপারী (২১), জাহাঙ্গির বেপারী (৫০) ও সাইফুল বেপারীসহ (২০) কমপক্ষে ৭জন আহত হন। আহতদেরকে কালকিনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে খবর পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

আহত কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন বেপারী বলেন, আমি মারামারি থামাতে গেলে আমাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। হামলাকারী রুবেল সরদারসহ সকল মিলে ফেষ্টুন রাতের আধারে ছিড়ে ফেলেছে। তারা সকলে বিএনপি ও সাবেক কাউন্সিলর দাদনের সমর্থক। ৩-৪টি বসতবাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। এ বিষয় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছি।  আমি এ ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার চাই।

প্রতিপক্ষ সাবেক কাউন্সিলর তোফাজ্জেল হোসেন দাদন বলেন, যারা বর্তমান কাউন্সিলরের লোকজনের সাথে মারামারি করেছে তারা কেউ আমার লোক নয়। বিষয়টি একান্তই তাদের বিষয়। পুর্ব থেকেই তাদের মধ্যে শত্রুতা চল আসছে।

এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি ইসতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।