Opu Hasnat

আজ ২৭ জুলাই মঙ্গলবার ২০২১,

ভাঙ্গার চাঞ্চল্যকর সেকেন্দার হত্যাকান্ডের বিচার দাবিতে মানববন্ধন ফরিদপুর

ভাঙ্গার চাঞ্চল্যকর সেকেন্দার হত্যাকান্ডের বিচার দাবিতে মানববন্ধন

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের চরকান্দা গ্রামে চাঞ্চল্যকর সেকেন্দার আলী মোল্লা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে এলাকাবাসী। সোমবার সকালে উপজেলার ভাঙ্গা কলেজ পাড়-পীরেরচর ফিডার সড়কের চরকান্দা নামক স্থানে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারীরা অবিলম্বে সেকেন্দার হত্যাকান্ডে জড়িত আতিয়ার রহমান বুলু মোল্লা, নিহতের স্ত্রী হাফিজা বেগম, সম্রাট মোল্লাসহ জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

এ সময় বক্তব্য রাখেন নিহতের ভাই কবির উদ্দিন খোকন মোল্লা, ইউপি চেয়ারম্যান কাওসার ভূইয়া, সাবেক ইউ,পি চেয়ারম্যান ম,ম, ছিদ্দিক মিয়া, নিহতের চাচা সাবেক ইউপি সদস্য জমির উদ্দিন মোল্লা, সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার ইমারত হোসেন, ফারুক মিয়া, তোতা মাতুব্বর, হান্নান মাতুব্বর, আলীমুজ্জামান, হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

তারা এ সময় হত্যাকান্ডে জড়িত সকলের ফাঁসির দাবি জানান। 

উল্লেখ্য, উপজেলার আলগী ইউনিয়নের চরকান্দা গ্রামের চাঞ্চল্যকর সেকেন্দার আলী হত্যাকান্ডের রহস্য অবশেষে উদঘাটন করে পুলিশ। মামলার বাদী নিহতের স্ত্রী বর্তমানে মামলাটির প্রধান আসামী। দীর্ঘ প্রায় ৮ মাস পর পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। নিহতের স্ত্রী হাফিজা বেগম, পরকীয়া প্রেমিক ও তার সন্তান সুকৌশলে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পরিকল্পিত হত্যাকান্ডের বিবরন তারা আদালতে স্বীকার করে। 

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে প্রকাশ গত ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর উপজেলার চরকান্দা গ্রামের নির্মাণাধীন রেল লাইনের দক্ষিণপার্শ্বে রাঘদার বিলে জাল পাততে গিয়ে স্থানীয় দেলোয়ার মোল্লা নামে জনৈক ব্যাক্তি অর্ধ কাদাযুক্ত পানিতে নিহতের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে হাফিজা বেগম ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ দেখে তার স্বামী সেকেন্দার আলীর বলে সনাক্ত করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ময়না তদন্তের জন্য লাশটি মর্গে প্রেরন করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী হাফিজা বেগম বাদী হয়ে পারিবারিক বিরোধ ও রেললাইনের অধিগ্রহনকৃত টাকার ভাগ বাটোয়ার দ্বন্দ্বে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ  করেন।