Opu Hasnat

আজ ১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ২০১৯,

কালকিনি পৌর মেয়রের একান্ত সাক্ষাৎকার

একটি পরিছন্ন আধুনিক পৌরসভা গড়তে চাই সাক্ষাৎকারমাদারীপুর

একটি পরিছন্ন আধুনিক পৌরসভা  গড়তে চাই

মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভায় নবনির্বাচিত মেয়র সাবেক যুবলীগ নেতা মোঃ এনায়েত হোসেন পৌরসভাকে কিভাবে সাজাবেন জানতে চাইলে তিনি টাইমটাচনিউজ ডটকম এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারের সময় বলেন, সারা দেশের ন্যায় একটি পরিছন্ন আধুনিক ডিজিটাল পৌরসভা গড়তে চাই। ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আফম বাহাউদ্দিন নাছিমের পরামর্শ  অনুযায়ী কালকিনি পৌরসভার উন্নয়ন কাজ করবো। জনসাধারনকে সঙ্গে  নিয়ে পৌরসভার উন্নয়ন করতে চাই। এ কারনে পৌরসভার সকল নাগরীকদের সহযোগীতা কামনা করেন এই নবনির্বাচিত পৌর মেয়র। 

বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বুকে ধারন করে পৌরবাসির আশা-আকাঙ্খাকে পুরন করবেন বলে যানান। পৌরসভার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পুর্ন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন । 

দুই দুইবার নির্বাচিত পৌর মেয়র মোঃ এনায়েত হোসেন হাওলাদার আরো বলেন, আমি এবারের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয় লাভ করি। আমি এই নৌকার মান মর্যাদা রক্ষা করে উন্নয়নের কাজ করে যাব। আমি মেয়র নির্বচিত হওয়ার পর ইতি মধ্যে কালকিনি পৌরসভাকে গ শ্রেনী থেকে প্রথম শ্রেনীতে উন্নতি করা হয়েছে। তিনি আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মেয়র নির্বাচিত হন। 

তিনি ২০ ফেব্রæয়ারী ১৯৮০ইং সালে পৌর এলাকার জনারদন্দি গ্রামে একটি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মৃত্যু হাজ্বী মোঃ সেকান্দার আলী হাওলাদার।  

হলফনামা সুত্রে জানা গেছে, মোঃ এনায়েত হোসেনের নামে মাদারীপুর ফৌজদারী আদালতে ১টি মামলা থাকলেও তা  মামলার অভিযোগপত্রে মোঃ এনায়েত হোসেনকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। হলফনামায় নিজের শিক্ষাগত যোগ্যাতা এইচএসসি পাশ। পেশা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ব্যবসা। 

মেয়র এনায়েত হোসেন আরো বলেন, কালকিনি পৌরবাসীকে একটি সন্ত্রাস ও দূর্নীতি মুক্ত পৌরসভা উপহার দিতে চাই। যার সব কিছু থাকবে পরিকল্পনা মাফিক সাজানো গোছানো। সে সকল কাজগুলো হলো- আলোকিত, নিরাপদ, পরিছন্ন ও পরিবেশ বান্ধব বাসযোগ্য আদর্শ কালকিনি পৌরসভা উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে মুল লক্ষ। অন্যায়, অনিয়ম, দূর্নীতি, অনৈতিকতা ও রাজনীতি পেশীশক্তির কবল থেকে পৌরবাসিকে মুক্ত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবো। জলাবদ্ধতা দূরীকরনে আগ্রধিকার ভিক্তিতে বিভিন্নস্থানে ড্রেনেজ পদ্ধতির ব্যবস্থা এবং পৌরসভার রাস্তাগুলোতে সোডিয়াম লাইটিং বসানো হবে। পৌরসভার গুরুত্বপূর্নস্থানে পাবলিক টয়লেট নির্মান ও ময়লা আর্বজনা পরিস্কারের তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা করা হবে। পৌর এলাকার বাকি প্রত্যেক গ্রামে গুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাই। এবং আমি আশা করি আগামী ৫ বছরের মধ্যে কোন রাস্তার কাজ পাকাকরনে বাকি থাকবেনা। তিনি পৌর পিতা নয় বরং নাগরীক বন্ধু ও সেবক হিসেবে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন পরিশেষে।