Opu Hasnat

আজ ৩০ নভেম্বর বুধবার ২০২২,

বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল ইতিহাস মঞ্চের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব ও আন্তর্জাতিক কবি সম্মিলন অনুষ্ঠিত শিল্প ও সাহিত্য

বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল ইতিহাস মঞ্চের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব ও আন্তর্জাতিক কবি সম্মিলন অনুষ্ঠিত

সাহিত্য ও সংস্কৃতি ও ইতিহাস  মঞ্চ তৈরি একদিনে নয়, তারপর আন্তর্জাতিক। এ একটি নিরলস পরিশ্রমের ফসল। এ প্লাটফরম তৈরি করতে গিয়ে জীবনের অর্ধেকের বেশি সময় পার করে সকলকে উপহার দিয়েছেন সকলের প্রিয়জন ইতিহাসবিদ, বহুগ্রন্থের প্রণেতা সোহেল মো. ফখরুদ-দীন। মাতৃবন্দনার পবিত্র বোল সকল সন্তানের কাছে শ্রদ্ধার হয়ে ধরে রাখাটাই মাতৃভাষার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন বোঝায়। 

মাতৃভাষা মধুর হোক সর্ব আঙিনায়’-এই স্লোগানে মুখরিত হয়ে ২৭ জুলাই দুপুর ২টায় ঢাকা বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদ অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল ইতিহাস মঞ্চের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব ও আন্তর্জাতিক কবি সম্মিলন ২০২২ সংগঠনের চেয়ারম্যান লেখক ব্যাংকার দুলাল কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত হয়। 

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া পিএইচডি। উদ্বোধন করেন কবি মাহামুদুল হাসান নিজামী। বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল ইতিহাস মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক সোহেল মো. ফখরুদ-দীনের সঞ্চালনায় এই সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাংকার ও লেখক প্রীতিশ রঞ্জন বড়ুয়া। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের ত্রিপুরা থেকে আগত বিশিষ্ট লেখক ড. দেবব্রত দেব রায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন অনান্যদের মধ্যে ড. আশিস কুমার বৈদ্য, কবি বরুণ চক্রবর্তী, অধ্যাপক কবি মলয় চন্দন মুখপাধ্যায়, কবি তারকনাথ দত্ত, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এস এম মনির উজ জামান, প্রবীণ সাংবাদিক ও কবি আবদুর রশিদ চৌধুরী, ড. মোমতাজ উদ্দিন আহামদ, ডা. আবদুল্লাহ আল মুক্তাদির, ইতিহাসবিদ সিরাজুল করিম, লেখক মো. কামাল উদ্দিন, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ পাটওয়ারি, সাংবাদিক ও কবি সৈয়দা রুখসানা জামান শানু প্রমূখ। 

আরো উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মান্না রেহান, কবি মুনির জামান,স্বর্ণিমা রায়, ড. অপর্ণা গাঙ্গুলি, ড. মুস্তাফা কালাম, ড. কান্না দেব, সেলিম দুরানি বিশ্বাস, মৌ পাঠক সিংহ, দীপশিখা চৌধুরী, বিধানেন্দু পুরকাইত, অরবিন্দ সরকার, কেতকী প্রসাদ রায়, সাংবাদিক আবদুল কাইয়ুম, কবি নন্দিনী লাহা, সাংবাদিক সুমন বড়ুয়া, কবি পূরবী বড়ুয়া, স্বপন চৌধুরী বড়ুয়া, কবি নিয়তি রায় বর্মণ, স্থপতি বিশ্বজিৎ বড়ুয়া, ভাষাগবেষক সৈয়দ গোলাম নবী, এসএম তসলিম উদ্দিন রানা, নাজমুল হক শামীম, সাংবাদিক সোহেল তাজ, কবি সৈয়দ খায়রুল আলম, কবি লুৎফুর রহমান, ইমরান সোহেল, সৈয়দ শিবলী ছাদেক কফিল, ড. শেখ এ রাজ্জাক রাজু, আমিনুল ইসলাম তালুকদার, মানিক চক্রবর্তী, মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, গবেষক আফরোজা মুন্নি, আবদুল্লাহ আল নোমান, শিক্ষক তপন কান্তি বড়ুয়া, কবি ও বাচিক শিল্পী জয়া মোস্তাফিজ, কবি নায়লা পাইলট, উদয়ন বড়ুয়া ঝুন্টু, কবি ও পুথিকার হাসিনা মমতাজ, সাফাত বিন সানাউল্লাহ, আলমগীর রানাসহ আরো অনেকে। 

পবিত্র ভাষাকে শ্রদ্ধায় স্মরণ রেখে বিশ্বজনীন নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করে স্ব স্ব মাতৃভাষাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কবি, সাহিত্যিক, লেখক, গবেষকদের আহ্বান জানিয়ে সম্মিলনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সম্মিলনের শুরুতে বাংলাদেশ, ভারত, নেপালের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে স্ব স্ব দেশের মর্যাদাকে অক্ষুণ্ন রাখার শপথ ব্যক্ত করা হয়। এরপর কবিদের উত্তরীয় পরিয়ে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।