Opu Hasnat

আজ ৩০ নভেম্বর বুধবার ২০২২,

ভারতের প্রথম আদিবাসী প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মুর শপথ গ্রহণ আন্তর্জাতিক

ভারতের প্রথম আদিবাসী প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মুর শপথ গ্রহণ

ভারতের প্রথম আদিবাসী ও দ্বিতীয় নারী  এবং ১৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন দ্রৌপদী মুর্মু। সোমবার (২৫ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে দেশটির রাজধানী দিল্লিতে শপথ নেন তিনি। ভারতের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা শপথবাক্য পাঠ করান দ্রৌপদী মুর্মুকে।

শপথ নেওয়ার আগে রাজঘাটে গিয়ে ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনে যান। সেখানে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং তার স্ত্রী সবিতা কোবিন্দ দ্রৌপদী মুর্মুকে শুভেচ্ছা জানান। পরে রামনাথ কোবিন্দ ও দ্রৌপদী মুর্মু একইসঙ্গে সংসদ ভবনে আসেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদের প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন দ্রৌপদী মুর্মু। দেশের প্রথম আদিবাসী এবং দ্বিতীয় নারী হিসেবে ভারতের শীর্ষ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত হয়ে ইতিহাস রচনা করেছেন ৬৪ বছরের দ্রৌপদী।

সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্রৌপদী মুর্মুর শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে যাবতীয় প্রস্তুতি আগেই সম্পন্ন করা হয়। দিল্লির সেন্ট্রাল হলে অনুষ্ঠিত এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শপথ গ্রহণের পর দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ‘আমার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া প্রমাণ করে যে, ভারতের দরিদ্ররা স্বপ্ন দেখতে এবং স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।’

এর আগে ভোটাভুটির মাধ্যমে ভারতের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন দেশটির ক্ষমতাসীন এনডিএ জোটের প্রার্থী আদিবাসী সাঁওতাল নারী দ্রৌপদী মুর্মু। গত বৃহস্পতিবার তিন দফায় ভোট গণনা শেষে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়।

এতে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে ভারতের প্রথম আদিবাসী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি। আর এরপরই প্রতিদ্বন্দ্বী বিরোধীদলীয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যশবন্ত সিনহা পরাজয় স্বীকার করে নেন।
 
দ্রৌপদী মুর্মু পেশায় শিক্ষক ছিলেন। ৬৪ বছর বয়সী ভারতের ওড়িশা রাজ্যের এই আদিবাসী নারী গত কয়েক দশক ধরে বিজেপির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। ঝাড়খণ্ড প্রদেশের প্রাদেশিক গভর্নর হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছেন তিনি।