Opu Hasnat

আজ ২৮ জানুয়ারী শুক্রবার ২০২২,

মোরেলগঞ্জে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের তদন্ত সম্পন্ন বাগেরহাট

মোরেলগঞ্জে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের তদন্ত সম্পন্ন

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের জিউধরা ইউনিয়নের ৯৫ নং বড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত  প্রধান শিক্ষক মোঃ নাসির হাওলাদারের বিরুদ্ধে ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির প্রাক্তন  সদস্য  ও  স্থানীয় জনৈক এলাকাবাসীর  আনীত অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় স্কুল ভবনে  এ তদন্ত কার্য সম্পন্ন হয়েছে।  তদন্তকারী কর্মকর্তা  ছিলেন বাগেরহাট  সদর উপজেলার  প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা  রুহুল কুদ্দুস তালুকদার। এসময়  তার সফরসঙ্গী ছিলেন  সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাকিন বিল্লাহ, মোরেলগঞ্জ উপজেলার  সহকারী  শিক্ষা কর্মকর্তা  ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সজল মহালী।  বেলা ১১ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত একটানা  তদন্তকার্য চলে।

উপজেলার  ৯৫ নং বড়ইতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ নাসির হাওলাদারের বিরুদ্ধে ২০১৮-১৯ ও ২০২০-২১ অর্থবছরের  স্লিপের বরাদ্ধ, রুটিন মেনটেন বরাদ্দ, প্রাক-প্রাথমিকের বরাদ্দ, কন্টিজেন্স বরাদ্দ, বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী চাকরি দেওয়ার নামে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ সহ নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগের তদন্ত করা হয়।

উল্লেখ্য,  ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির  প্রাক্তন সদস্য মোঃ  নাসির  উদ্দিন হাওলাদার ও আব্দুল হাই নামে একজন এলাকাবাসীর  স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে লিখিত  অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাগেরহাট জেলা  প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাগেরহাট  সদর উপজেলা শিক্ষা   কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার কে এর তদন্তকার্যের ভার  প্রদান করেন ।  

এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা  রুহুল কুদ্দুস বলেন,   অভিযোগকারীদের এবং সাক্ষীদের কাছে থেকে লিখিত বক্তব্য  নেওয়া হয়েছে। স্কুলের বিভিন্ন কাগজপত্র ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিম হাওলাদারের কাছে চাওয়া হয়েছিল,  তিনি  কিছু কাগজপত্র দিয়েছেন  আর কিছু দিতে পারেননি। প্রাপ্ত কাগজপত্র আমরা ঘেটেছি এবং এগুলো  আরও বিশ্লেষণ করে দেখা হবে এবং  সময়মতো প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। '

এসব অভিযোগের ব্যপারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক  নাসির হাওলাদার বলেন, অতীতেও আমার উপর ১২ টি অভিযোগ  আনা হয়েছিল, সেগুলো সব মিথ্যা  প্রমাণিত  হয়েছিল। এবং  যে কর্মকর্তারা আমার বিরূদ্ধে রিপোর্ট  দিয়েছেন তাদেরকে ওএসডি করা হয়েছে।'