Opu Hasnat

আজ ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার ২০২১,

ব্রেকিং নিউজ

সিংগাইর-নবাবগঞ্জের শোল্লা ব্রীজের সংযোগ সড়ক নির্মাণ শেষ হয়নি দু‘বছরেও মানিকগঞ্জ

সিংগাইর-নবাবগঞ্জের শোল্লা ব্রীজের সংযোগ সড়ক নির্মাণ শেষ হয়নি দু‘বছরেও

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার নিলাম্বর পট্টি ও  ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জের শোল্লার সংযোগস্থলে কালিগঙ্গা নদীর ওপর ৯‘শ মিটার ব্রীজের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে প্রায় আড়াই বছর আগে। কিন্তু ব্রীজের উত্তর পাশে সিংগাইরের অংশে ৩৬০ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ  ২ বছরেও শেষ হয়নি।  সড়কটি নির্মাণে ধীর গতির কারণে ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রীজটি কোনো কাজেই আসছে না। ফলে ব্রীজটি দর্শনার্থীদের পর্যটন কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে।

জানা গেছে, মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার সঙ্গে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার সংযোগস্থল শোল্লা এলাকায় কালিগঙ্গা নদীর ওপর ব্রীজ নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় উত্তর পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ  বন্ধ ছিল দীর্ঘ দিন। জটিলতা কাটিয়ে নতুন করে জমি অধিগ্রহণ না করে প‚র্বের চলমান রাস্তার ওপর দিয়েই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডার্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড এলজিইডি‘র অর্থায়নে ৬কোটি ১লক্ষ ৪৪হাজার টাকা ব্যয়ে ব্রীজের উত্তর পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করেন ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর। 

নবাবগঞ্জ এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর এ কাজ শেষ হওয়ার কথা। সরেজমিনে দেখা গেছে, তার বিপরীত চিত্র। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, শুরুতে বেশ কিছু দিন তোড়জোড়ে কাজ চললেও দীর্ঘ দিন ধরে ব্রীজটির সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ বন্ধ রয়েছে। ৩‘শ ষাট মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ এক বছরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা প্রায় ২বছরেও  শেষ না হওয়ায় যোগাযোগে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা এবং ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার লোকজন। অসুস্থ রোগী এবং বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে শোল্লায় কালিগঙ্গা নদী পাড়ি দিতে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন দু‘উপজেলা নদী পাড়ের লোকজন।

এ প্রসঙ্গে ব্রীজের সংযোগ সড়ক নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডার্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের দায়িত্বে থাকা সাইট ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, বৈশ্বিক মহামারি কোভিট-১৯ এর কারণে ব্রীজের সংযোগ সড়কের কাজ সময় মত শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা হবে। 

সিংগাইর উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ রুবাইয়াত জামান বলেন, ব্রীজটি নবাবগঞ্জ উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বিধায় সকল কাজের তদারকি ওই উপজেলা এলজিইডি অফিস করে থাকেন। 

এ ব্যাপারে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী তরুণ কুমার বৈদ্য বলেন, জমি সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে ওঠার পর গত দেড় বছর ধরে লকডাউন চলমান রয়েছে বিধায় যথাসময়ে সংযোগ সড়কের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তার পরেও বিষয়টি নিয়ে আপনি নির্বাহী প্রকৌশলী স্যারের কথা বলতে পারেন বলেও তিনি জানান।