Opu Hasnat

আজ ১৭ এপ্রিল শনিবার ২০২১,

সৈয়দপুরে জাপা নেতা মেয়র প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের ভোট বর্জন নীলফামারী

সৈয়দপুরে জাপা নেতা মেয়র প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের ভোট বর্জন

উত্তরের জনপদ নীলফামারীর প্রথম শ্রেণির পৌরসভার রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা হতে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। ভোট চলাকালীন সকাল ১১টার মধ্যেই জাতীয় পার্টির সমর্থক(লাঙ্গল প্রতীকে) প্রতিদ্বন্দী মেয়র প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিদ্দিকুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বলেন, ভোটে অনিয়ম, কর্মীদের পিটিয়ে ভাগানো ও প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগ তুলে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বর্জন ঘোষণা দিলেন। সৈয়দপুর শহরের পাঁচমাথা মোড় এলাকার জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষনা দিয়ে এই ভোট নির্বাচন কমিশনারের কাছে পুনরায় দাবি করেন। 

সংবাদ সম্মেলনে আবেগ তাড়িত কন্ঠে সিদ্দিকুল আলম বলেন, আমরা বিরোধী দলে আছি। সরকারের ভালো কাজে সহযোগিতা দিচ্ছি। অথচ এর ফলশ্রুতিতে সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচনে আমাদের কর্মীদের নির্যাতন করা হচ্ছে। এ নির্যাতন থেকে নারী কর্মীরাও বাদ যায়নি। এখানে ৪১টা কেন্দ্র হতে নৌকার সমর্থক এবং পুলিশ ও প্রশাসন সরকার দলীয় কর্মীদের সহযোগিতায় আমার পুলিং এজেন্টদের জোর পূর্বক প্রত্যেকটি কেন্দ্র হতে বের করে দেয়া হয়। এমনকি আমার মা‘কেও ভোট দিতে দেয় নাই। কোন কেন্দ্রে আমার পুলিং এজেন্টদের ব্রাশ ফায়ার করে মেরে ফেলার হুমকী দিয়েছে। আবার কোন কেন্দ্রে প্রশাসনের সামনে নৌকার সমর্থক আমার এজেন্টদের প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে নৌকা যদি না জিতে আপনার চামড়া তুলে নেব আমরা। যদি একতরফা নির্বাচনই হবে, তাহলে কেন এই নির্বাচনী নাটক। এটিকে প্রহসন বলেছেন তিনি। একই সাথে তিনি সৈয়দপুর পৌর নির্বাচন করে পূণ: নির্বাচন দাবি করেন। 

তিনি বলেন, বেশকিছু কেন্দ্রে ইভিএম বন্ধ করে শুধুমাত্র নৌকায় ভোট প্রদান করছে দলীয় কর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীর স্ত্রী মিসেস ইয়াছমিন আলম, জাপার কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল দিদার দীপুসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এমনকি বুথের ভিতরে নৌকার সমর্থক ঢুকে অনেকের হাত ধরে নৌকার বটনে আঙ্গুল রেখে ভোট দ্রুত গ্রহন করছেন। তিনি আরো বলেন, এমন অবস্থায় যখন প্রশাসন শুনছে না তখন আমরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভোট বর্জন ঘোষণা করছি।  এবং সেই সাথে এর বিচার দাবি করেন সরকারের কাছে। 

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমি অভিযোগ পেয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়েছি। কিন্তু বিশৃংখলা দেখতে পাই নাই।