Opu Hasnat

আজ ৯ মার্চ মঙ্গলবার ২০২১,

অন্ধকার থেকে মুক্ত করুক একুশের আলো

নড়াইলে লাখো মোমবাতি জ্বেলে ভাষা শহীদদের স্মরণ নড়াইল

নড়াইলে লাখো মোমবাতি জ্বেলে ভাষা শহীদদের স্মরণ

নড়াইলে লাখো মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে ভাষা শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে। অন্ধকার থেকে মুক্ত করুক একুশের আলো এ ভাবনাকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও অমর একুশ উদযাপনে এ ব্যতিক্রমি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ঠিক সন্ধ্যা ৫টা ৫৫মিনিটে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ খেলার মাঠে (কুড়িরডোব মাঠ) প্রদীপ জ্বেলে প্রধান অতিথি হিসেবে এ মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। প্রায় স্বেচ্ছাসেবি কর্মী বাহিনী মুহুর্তের মধ্যে জ্বেলে দেয় লাখো মোমবাতি। মোমবাতির আলোয় আলোকিত হয়ে উঠে শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বর্ণমালা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, আল্পনাসহ বাংলাদেশের নানান ইতিহাস ও ঐতিহ্য। একই সাথে উড়ানো হয় শতাধিক ফানুস। 

এ সময়  জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃত্বে দেশাত্ববোধক ও একুশের গান পরিবেশন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম বার, নড়াইল পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু, একুশ উদযাপন পর্ষদের আহবায়ক অধ্যাপক মুন্সি হাফিজুর রহমান প্রমুখ। 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল সদর থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন, নড়াইল রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সভাপতি হুমায়ুন কবীর রিন্টু, সদস্য সচিব কচি খন্দকার, একুশ উদযাপন পর্ষদের সদস্য সাহেদ আলী শান্ত, সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ ওসমান আলী, ইমান আলী মিলন, লিজা হাসান, পবিত্র বিশ্বাস প্রমুখ। 

মোমবাতি প্রজ্জ্বলন উপভোগ করতে ও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নানা বয়স ও শ্রেণি পেশার হাজার হাজার নারী পুরুষ সমবেত হন। ভাষা শহীদদের স্মরণে ১৯৯৭ সালে নড়াইলে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন শুরু হয়। প্রথমবার নড়াইলের সুলতান মঞ্চসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০ হাজার মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। এরপর থেকে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ খেলার মাঠে লাখো মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে ভাষা শহীদদের স্মরণ করা হচ্ছে। প্রতিবছর এর ব্যপ্তি বাড়ছে। এ বছরও এক লাখ মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা  হয়।

এই বিভাগের অন্যান্য খবর