Opu Hasnat

আজ ২১ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার ২০২১,

মোংলায় কিশোরীকে ধর্ষণের পর পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করায় গ্রেপ্তার ৪ বাগেরহাট

মোংলায় কিশোরীকে ধর্ষণের পর পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করায় গ্রেপ্তার ৪

বাগেরহাটের মোংলা পের্ট পৌরসভার  সিগনাল টাওয়ার এলাকার এক কিশোরীকে দীর্ঘ প্রায় ৬ মাস ধরে আটকে রেখে ধর্ষনসহ পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার ঘটনায় গ্রেপ্তার এক ধর্ষকসহ ৪ জনকে বুধবার দুপুরে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ওই কিশোরী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় থানায় মামলা দায়েরের পর রাতে মোংলা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক ধর্ষকসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। 

গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক দেলো পাটোয়ারীসহ (৩০), শারমিন বেগম (৩০), শিউলি বেগম (৪৫) ও শিল্পী বেগমকে (৩৬) বুধবার দুপুরে মোংলা থানা পুলিশ বাগেরহাট আদালতে পাঠালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো. খোকন হোসেন  আসামীদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

ধর্ষিতা কিশোরী মোংলার সিগনাল টাওয়ার এলাকা মোহাম্মদ ইসমাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী। 

মোংলা থানার ওসি (তদন্ত) তুহিন মন্ডল মোবাইল ফোনে জানান, মোংলা পৌর শহরের সিগনাল টাওয়ার এলাকার বাসিদ্ধা ও একই এলাকার মোহাম্মদ ইসমাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ৬ মাস পূর্বে তার আত্মীয় শিউলি বেগম ও শারমিন বেগম কাজের কথা বলে শরণখোলার ধানসাগর এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর সেখানে ওই কিশোরীকে রেখে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলায় দেলো পাটোয়ারী ও আলী হোসেন ধর্ষনসহ সব আসামী মিলে তাকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে।

এরপর গত ১১ জানুয়ারী কিশোরীর মা-বাবা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে মোংলায় নিয়ে আসে। কিশোরীকে তার পরিবার উদ্ধার করে আনার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই কিশোরী থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। মামলায় দেলো পাটোয়ারী, আলী হোসেন, শারমিন বেগম, শিউলি বেগম, শিল্পী বেগম, পারভিন বেগম ও তায়েবা বেগমকে আসামী করা হয়েছে। 

পলাতক আলী হোসেন (৩৮), পারভিন বেগম (৩৫) ও তায়েবা বেগমকে (৩০) আটকে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে দাবী করেছে পুলিশ।