Opu Hasnat

আজ ২৭ জানুয়ারী বুধবার ২০২১,

জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রথম নারী সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক ইলিয়াস মিডিয়া

জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রথম নারী সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক ইলিয়াস

জাতীয় প্রেসক্লাবের ইতিহাসে প্রথম বারের মতো নারী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আর সাধারণ সম্পাদক পদে ইলিয়াস খান নির্বাচিত হয়েছেন। 

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন ৫৮১ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সবুজ-ইলিয়াস পরিষদের কামাল উদ্দিন সবুজ। তিনি পেয়েছেন ৩৯৫ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ওমর ফারুক ভোট পেয়েছেন ৩৯৩।

বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে এই ফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রেস ক্লাব নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়।

নির্বাচনে ১৭টি পদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম থেকে সভাপতি, সহ-সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (১), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (২), কোষাধ্যক্ষসহ ১১টি পদে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে সবুজ-ইলিয়াস প্যানেল থেকে সিনিয়র সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ছয়টি পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের নির্বাচনে সবুজ ইলিয়াস পরিষদ থেকে সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন হাসান হাফিজ। তিনি পেয়েছেন ৪১৩ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া পেয়েছেন ৩৬৭ ভোট। অপর প্রার্থী রাশেদ চৌধুরী পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।

অপরদিকে ফরিদা-ফারুক পরিষদ থেকে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রেজোয়ানুল হক রাজা। তিনি পেয়েছেন ৬১৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খন্দকার হাসনাত করিম পেয়েছেন ৩৪০ ভোট।

নির্বাচনে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মাঈনুল আলম। তিনি পেয়েছেন ৫৭৭ ভোট। এ ছাড়াও যুগ্ম সম্পাদক (২) নির্বাচিত হয়েছেন মো. আশরাফ আলী। তিনি পেয়েছেন ৩৯৫ ভোট। এছাড়াও অপর তিন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী পেয়েছেন যথাক্রমে নাজমুল আলম (৩১৫), কল্যাণ সাহা (২৫২) এবং সৈয়দ আলী আসগর (২১০) ভোট পেয়েছেন।

এ ছাড়াও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন শাহেদ চৌধুরী পেয়েছেন ৭০৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সালাউদ্দিন আহমাদ বাবলু।

অন্যদিকে ১০টি সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে আয়ুব ভূইয়া (৫৪৪ ভোট), রেজানুর রহমান, (৪৭৪ ভোট), কাজী রওনা হোসেন (৪৫৫ ভোট), জাহিদুজ্জামা ফারুক (৪৪৩ ভোট),শাহনাজ বেগম পলি (৪৩০ ভোট), সৈয়দ আবদাল আহমদ (৪২১ ভোট), শাহনাজ সিদ্দিকী সোমা (৪২০ ভোট), ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী (৪১১ ভোট), রহমান মুস্তাফিজ (৩৭৯ ভোট), বখতিয়ার রাণা (৩৬৮ ভোট)।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১ হাজার ১৫১জন। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ১ হাজার। মোট ভোট পড়েছে ৮৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

নির্বাচনে ১৭টি পদের বিপরীতে ৪৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে দুইটি প্যানেল থেকে ৩৪ জন এবং ১২ জন স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচনে অংশ নেন।