Opu Hasnat

আজ ২৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ২০২০,

তিন পার্বত্য জেলায় ৫’শ হেক্টর পাহাড়ি ভূমিতে চা চাষের উদ্যোগ খাগড়াছড়ি

তিন পার্বত্য জেলায় ৫’শ হেক্টর পাহাড়ি ভূমিতে চা চাষের উদ্যোগ

খাগড়াছড়ি জেলাসহ তিন পার্বত্য জেলাতে প্রথমবারের মতো ৫’শ হেক্টর পাহাড়ি ভূমিতে চা চাষ সম্প্রসারণে বাংলাদেশ চা বোর্ড উদ্যোগ নিচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পতিত, অনাবাদী ও প্রত্যন্ত এলাকার পাহাড়ি জমিতে চা চাষের জন্য উপযোগি। পাহাড়ের মাটি, আবহাওয়া-জলবায়ু এবং ভূ-প্রকৃতি বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরই)-এর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে। ঐতিহহাসিক পার্বত্য শান্তিচুক্তি সম্পাদনকারী সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী পাহাড়ের দারিদ্র্য দূর করতে এখানে চা চাষ সম্প্রসারণের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে বান্দরবান জেলায় ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্ষুদ্রায়তন চা চাষ প্রকল্প’-এর বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে। খাগড়াছড়িতেও এবার পাঁচ’শ হেক্টর চা চাষ করা হবে। যা করোনাকালিন গ্রীন টি কার্যকারীতা অত্যন্ত উপকারী প্রকৃতির স্বাদ পাওয়া সহজে চা পান করা সম্ভব হবে।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউজে বিটিআরই-চট্টগ্রাম উপ-কেন্দ্র আয়োজিত চা চাষী এবং সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এই তথ্য জানান, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল জহিরুল ইসলাম পিএসপি এনডিসি।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়নের প্রতিনিধি জিটুআই মেজর সালাউদ্দিন এবং বিটিআরই-এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: মশিউর রহমান আকন্দ।

সভায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সন্তোষ কুমার চাকমা, খেদারমারা ক্ষুদ্র চা চাষী সমিতির সভাপতি খন্ডমনি চাকমা জানান, ২০১৮সালের আগস্ট মাসে চা বোর্ডের নিবন্ধিত হবার পর এখন প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয়’শ কেজি চা উৎপাদিত হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয়ভাবে কারখানা গড়ে উঠলে মানুষের মধ্যে আরো উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে।

সভায় খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব’র সভাপতি জীতেন বড়ুয়া, সাবেক সা: সম্পাদক মুহাম্মদ আবু দাউদ, খাগড়াছড়ি রিপোর্টার ইউনিটি’র সভাপতি চাইথোয়াই মারমা, সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ও সমকাল প্রতিনিধি প্রদীপ চৌধুরী, বিটিআরই-এর সিনিয়র ফার্ম এসিষ্টেন্ট অজিত চন্দ্র চৌধুরীসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা-সহকারিরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ক্ষুদ্র চা চাষী মধ্যম পাবলাখালী কৃষ্ণ বরন চাকমা, রাংগা দূরছড়ি স্বরুপ চাকমা, উত্তর পাবলাখালী পূর্ন বিকাশ চাকমা, সাজেক এলাকার অমর কৃষ্ণ চাকমা, সাজেক দড়িপাড়া নীতিশ চাকমা উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, গৃহিত প্রকল্পটি বানিজ্য মন্ত্রনালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ড সরাসারি দেখভাল করবে। ৯৫একরের ২শত পরিবার বাংলাদেশ চা বোর্ডের নিবন্ধিত ইতি মধ্যে খেদারমারা ক্ষুদ্র চা চাষীদের পিডিইপিতে অর্ন্তভূক্ত করছেন। 

এই বিভাগের অন্যান্য খবর