Opu Hasnat

আজ ১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ২০২০,

নভেম্বরে শুরু হবে জবি নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্পের কাজ : প্রকল্প পরিচালক ক্যাম্পাস

নভেম্বরে শুরু হবে জবি নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্পের কাজ : প্রকল্প পরিচালক

এহসানুল হক এহসান, জবি : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহ্য, সংগ্রামের বিদ্যাভূমি যা পুরান ঢাকা তথা দেশের অন্যতম শিক্ষার  বাতিঘর। বহু সংকট, সমস্যা অতিক্রম করে আজ প্রথম সারির একটি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সমস্যা হলো আবাসনের অভাব,  অতিসম্প্রতি ছাত্রী হলের উদ্বোধন এ-র মধ্য দিয়ে একমাত্র অনাবাসিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কালিমা মোচন করলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

বর্তমান সরকার ইতিমধ্যেই কেরাণীগঞ্জের তেঘরিয়ায় প্রায় ২০০ একর জমিতে নতুন ক্যাম্পাসের ২০০০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজে বরাদ্দ দিয়েছেন। কবে শুরু হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের প্রকল্প কার্যক্রম এ-ই বিষয়ে জানতে চাইলে নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন  প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সেলিম খান বলেন, জবি নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্পের কাজ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে,  আমরা আশাবাদী নভেম্বরেই  অনুমোদন পত্র ও মাস্টার প্ল্যান (ড্রয়িং) হাতে পাবো এবং সর্বপ্রথম মাটি ভরাট এ-র কাজ শুরু করবো।  

শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট  নিরসনে কি ভাবছে প্রশাসন প্রশ্নোত্তরে তিনি বলেন, যেহেতু ইতিমধ্যে আমাদের ছাত্রী হল থাকার উপযোগী হয়েছে, নতুন ক্যাম্পাসে ছাত্র হল ফার্স্ট প্রায়োরিটি পাবে। বস্তুত, আমরা প্রকল্প অনুমোদন ও কাঠামোর ডিজাইন  পাবার সাথে সাথে হল এবং প্রশাসনিক ভবন সহ সব  কাজ সমান গতিতে  শুরু করবো। এই বিষয়ে প্রশাসন ও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী সোচ্চার আছেন, সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে চেষ্টা করছি কিভাবে যত দ্রুত সম্ভব নতুন ক্যাম্পাসের কাজ শুরু করা যায়। 

কাজের সময় কেমন ব্যয় হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা  সময় সাপেক্ষ ব্যাপার আমরা যতদ্রুতই চাইনা কেনো  একটি ১০ তলা ভবন সম্পূর্ণ ভাবে  নির্মাণ করতে কমপক্ষে ২ বছর সময় লাগে।  যেহেতু জায়গা টা নিচু  আমাদের প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো মাটি ভরাট করা। 

উল্লেখ্য, কেরাণীগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন ক্যাম্পাসে ১৩টি হল ও ৯টি অনুষদ ভবন এছাড়াও  উপাচার্য ভবন, আবাসিক ও কোষাধ্যক্ষ ভবন ,  লেক খনন, ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তা, পানি, ইলেকট্রিসিটি ও ওয়াল তৈরি হবে। এর পরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ম্যাগা প্রকল্পে নতুন ক্যাম্পাসে একাধিক একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য হল, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থা, চিকিৎসা কেন্দ্র, ক্যাফেটেরিয়া, খেলার মাঠ, সুইমিং পুল, মসজিদ এবং পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এসকল অবকাঠামো এলাকাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রেখেই নির্মাণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই বিভাগের অন্যান্য খবর