Opu Hasnat

আজ ৩০ অক্টোবর শুক্রবার ২০২০,

মুকসুদপুরে ২শ কোটি টাকার পাট উৎপাদন, কৃষকের সোনার হাসি কৃষি সংবাদগোপালগঞ্জ

মুকসুদপুরে ২শ কোটি টাকার পাট উৎপাদন, কৃষকের সোনার হাসি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ২শ কোটি টাকার পাট উৎপাদন হয়েছে। সোনালী আঁশে সোনার হাসি কৃষকের মুখে। কৃষি প্রধান এ দেশে এক সময়ের প্রধান অর্থকরী ফলস পাট চাষে কৃষক দুরবস্থার সম্মুখীন হলেও চলতি মৌসুমে মুকসুদপুর উপজেলার সোনালী আশের দিন ফিরে আসতে শুরু করছে । এবার  লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। যদিও মৌসুমের প্রথমদিকে পাটের বাজার দর নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন কৃষকরা। পাট হাটে উঠেতেই সে চিন্তা দুর করে সোনার হাসিতে হাসতে শুরু করেছেন তারা। বাজারে ভালো পাট ২৪শ থেকে ২৫শ টাকা মণ বিক্রিয় করছেন। পাটের এমন সুদিন আসবে বলে কখনো ভাবেননি তারা। দেশের সরকারী পাট মিলগুলো বন্ধ ঘোষনার সংবাদে  কৃষকের চিন্তা বেড়ে যায়।  অনেকের ধারনা সরকারী মিল বন্ধ হওয়ার অনেক বেসরকারী মিল পাটের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার পাটের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। প্লাবন হওয়ার এবার  ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দুরে নিয়ে অর্থ ব্যয় করে পাট জাগ দিতে হয় নাই। প্রতিবিঘা জমিতে ১৬-১৮ মন পাট উৎপাদন হয়েছে। 

স্থানীয় মুকসুদপুর পৌরসভার হাট সহ অনেক হাট আছে ভালো মানের পাট ২২শ টাকা খেকে ২৫শ টাকা এবং নিম্মমানের পাট ২০০০ থেকে ২২শ টাকা মন দরে বিক্রিয় হচ্ছে। এবার পাটের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সংসারে অর্থিক সচ্ছলতা ফিরে আনার স্বপ্ন দেখছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।

মুকসুদপুর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান বলেন, এ বছর উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। পাটের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ হাজার  হেক্টর, উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৯৫ কোটি ৮০লাখ টাকা। 

মুকসুদপুর উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষন অফিসার রুহুল কুদ্দুস আহমেদ বলেন, উপজেলাতে লক্ষমাত্রার পাট চাষ হয়েছিল। বণ্যায় পানি যে ভাবে বাড়তে শুরু করতেছিল  কৃষকরা ভয়ে ছিল পাট কেটে আশ ছাড়িয়ে ঘরে নিতে পারবে কি-না, চিন্তা ছিল কোন  ক্ষতি হয় কিনা, তবে ভাল ভাবেই পাট উঠতেছে। 

কদমপুর গ্রামের কৃষক আক্কাস মীর বলেন, এ বছর পাটে রোগ বালাই নাই।  সরকার পাটের ন্যায্য মূল্য দিয়েছে। আমাদের খরচ পুষিয়ে লাভের অংশ থাকবে। পাট বহন খরচটা লাগে নাই। এইভাবে পাটের মূল্য থাকলে আগমী বছর কৃষক বেশি করে পাট চাষ করবে। 

এই বিভাগের অন্যান্য খবর