Opu Hasnat

আজ ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার ২০২০,

ব্রেকিং নিউজ

ফরিদপুরের বহুল আলোচিত বরকত ও রুবেলের ২৫ কার্যাদেশ বাতিল ফরিদপুর

ফরিদপুরের বহুল আলোচিত বরকত ও রুবেলের ২৫ কার্যাদেশ বাতিল

ফরিদপুরের বহুল আলোচিত দুই ভাই বরকত ও রুবেলের এলজিইডি অফিসে বর্তমান চলমান থাকা ২৫টি কাজের কার্যাদেশ বাতিল করেছে এলজিইডি কৃর্তপক্ষ। গত কদিনে এই কাজ গুলো বাতিল করা হয়। 

ফরিদপুর এলজিইডি অফিস সূত্রে জানাগেছে, বিগত দিনে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে এলজিইডিতে হাজার হাজার কোটি টাকার কাজ করেন তারা দুই ভাই। এর ভিতর বর্তমান চলমান থাকা ৩৮টি কাজের মধ্যে ২৫টি কাজ বাতিল করা হয়েছে। বাকি কাজ গুলো এই মাসের মধ্যে বাতিলের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে অফিস সূত্রে জানাগেছে। এদিকে এলজিইডিতে তাদের নিয়ন্ত্রনে আরো কোন কাজ থাকলে সেই গুলোও যাচাই বাছাই করা হচ্ছে বলে জানাগেছে। 

এদিকে ফরিদপুরের বিশিষ্টজনেরা জানিয়েছেন, বরকত ও রুবেল সহ বাকি লুটেরাদের যে সকল কাজ এলজিইডি সহ বিভিন্ন সরকারী অফিসে চলমান রয়েছে সেই গুলো বাতিল করে অতি দ্রুত টেন্ডার করার আহবান জানিয়েছেন তারা।    

ঢাকার সিআইডির মামলা থেকে জানাযায়, আওয়ামীলীগের বিতর্কিত এই দুই ভাই দলে অনুপ্রবেশ করে টেন্ডারবাজী সহ নানা অপকর্ম করে হাজার হাজার কোটি টাকা আতœসাত করে। এ ব্যাপারে ঢাকার কাফরুল থানায় গত ২৬ জুন ওই দুই ভায়ের নামে দুই হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে কামিয়ে ২৪৫০ বিঘা ভূসম্পত্তির পাশাপাশি বিদেশে টাকা পাচার করেছে মর্মে মানি লন্ডারিং এর মামলা দায়ের করা হয়। গত ২৮ জুন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে ফরিদপুরে অনুসন্ধান এসে বিষয়টির সত্যতা পান। মামলায় বরকত-রুবেলের স্বীকারোক্তিতে অনেকের নাম এসেছে। সিআইডির চাহিদা মোতাবেক তালিকা অনুযায়ী এ পর্যন্ত আটক করা হয় শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি নাজমুল হাসান লেভী, জেলা শ্রমিকলীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, যুবলীগ নেতা আসিবুর রহমান ফারহান, জেলা ছাত্রলীগের বহিস্কৃত সভাপতি শামীম সহ কয়েকজনকে।  এখন আটকের তালিকায় রয়েছেন সাবেক মন্ত্রীর এপিএস এইচ এম ফুয়াদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের বহিস্কৃত সাধারন সম্পাদক ফাইন, সাংবাদিক, ঠিকাদার সহ বেশ কয়েক জন আলোচিত ব্যক্তি।    

এর আগে গত ২৭ মে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. সুবল সাহার বাড়িতে হামলার ঘটনায় বরকত-রুবেলের বদরপুরস্থ বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ ৭জুন রাতে। এসময় তাদের কাছে থাকা অস্ত্র ও গুলি, বিদেশী মদ, ইয়াবা, ১২’শ বস্তা সরকারী চাল, বিদেশী টাকা জব্দ করা হয়। পরবর্তিতে একে একে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, মাদক, হত্যা সহ এক ডজন মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে তারা বিভিন্ন মামলায় রিমান্ড শেষে বর্তমানে জেলা কারাগারে রয়েছে।