Opu Hasnat

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার ২০২০,

দামুড়হুদার সবজি যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, লাভবান হচ্ছে চাষিরা কৃষি সংবাদচুয়াডাঙ্গা

দামুড়হুদার সবজি যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, লাভবান হচ্ছে চাষিরা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের আগাম সবজি যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এতে করে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা শহরের মানুষের চাহিদাপূরন হচ্ছে। লাভবান হচ্ছে উপজেলার সবজি চাষিরা। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রায় শতাধিক ট্রাক সবজি দেশের বিভিন্ন  প্রান্তে চলে যাচ্ছে।

উপজেলায় এবার ১০৯৮ হেক্টর জমিতে আগাম খরিপ-২সবজি আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে। আবাদ হয়েছে ১২শ’হেক্টর জমিতে। যা লক্ষমাত্রার চেয়ে বেশি। 

দামুড়হুদা উপজেলায় জয়রামপুর ও পারকৃষ্ণপুর-মদনায় দু’টি, কৃষি পণ্য সংগ্রহ ও বিপনন কেন্দ্র রয়েছে। এরমধ্যে পারকৃষ্ণপুর-মদনা কেন্দ্রটি বন্ধ থাকলেও জয়রামপুর কেন্দ্র থেকেসহ কার্পাসডাঙ্গা, চিৎলা গোবিন্দহুদা, কেশবপুর, কাঞ্চতলাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে থেকে এসব সবজি  নিয়মিত দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত সবজি, চিচিংঙ্গা, সিম, পটল, শষা, বেগুনসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি সরাসরি মাঠ থেকে তুলে এনে নিকটস্থ এসব পাইকারি ব্যবসায়ি দের নিকট আসে। কৃষকরা তাদের এসব পণ্য নিয়ে বিক্রয় কেন্দ্রে  প্রবেশ করলেই তাকে ঘিরে ধরেন দুর দুরান্ত থেকে আসা পাইকাররা। ক্রেতারা প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল থেকে ও মালামাল ক্রয় করে থাকে। গ্রাম অঞ্চল থেকে কেনা এসব মালামাল স্যালো ইঞ্জিন চালিত যান আলম সাধু পাখিভ্যান যোগো মহাসড়কে এনে ট্রাক লোড দিয়ে নিয়ে যায়।

কাঞ্চতলা গ্রামের বড় সবজি চাষি হাশেম আলি, রায়হান, জামাল উদ্দীন ও সহিদুল ইসলাম বলেন, তারা প্রত্যকের ৫/৬ বিঘা করে সবজি আবাদ করে থাকেন। তারা আগে নিজেরা স্থানিয় বাজারে ৫/৬ কিলোমিটার দুরে বিভিন্ন হাট বাজারে পাইকারি পণ্য বিক্রয় করতেন, এতে তাদের যেমন সময় নষ্ট হতো তেমনি সঠিক মূল্য পেতেন না। এখন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাইকারী ব্যবসায়ীরা প্রায় গ্রামে গ্রামে এসে বসে পাইকারী মালামাল কেনায় তাদের অনেক সুবিধা হচ্ছে তারা যেমন তাদের পণ্যর সঠিক মূল্য পাচ্ছেন তেমন তাদের সময় ও নষ্ট হচ্ছে না।

হরিরাম পুর থেকে আসা পাইকারী ব্যবসায়ী আব্দুর জব্বার, আঃ রাজ্জাক বলেন, চিচিংঙ্গা-৮শ’ থেকে হাজার টাকা, কাচা ঝাল ৬ হাজার, শশা ৮শ’ আমড়া, ৬শ’ টাকা মন দরে ক্রয় করছেন। এছাড়াও লাউ ২০ থেকে ২৫ টাকা, বাতাবি লেবু ১০ থেকে ১২ টাকা পিচ ক্রয় করছেন। তারা এসম মালামাল ট্রাক যোগে ঢাকা, চিটাগাং, ময়মনসিহ, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রয় করে থাকে। এতে করে  তারা নিজেরা খুব একটা লাভবান না হলেও এলাকার চাষিরা ভালো লাভবান হচ্ছে। তারা  তাদের উৎপাদিত মালামালের সঠিক মূল্য পাচ্ছে তেমনি বিক্রয়ের জন্য দুর দুরান্তে ছুটতে হচ্ছে না।

এই বিভাগের অন্যান্য খবর