Opu Hasnat

আজ ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ২০২০,

ব্রেকিং নিউজ

এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু আইন ও আদালত

এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু

ফারমার্স ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতি মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এসকে সিনহা) ১১ আসামির বিচার শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার চতুর্থ বি‌শেষ জজ আদলে‌তের বিচারক শেখ নাজমুল আলম অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।

আদালত এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন। দুদ‌কের সহকা‌রী প‌রিদর্শক আক্কাস আলী এ তথ‌্য জানান।

এ মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য ২৩ এ‌প্রিল দিন ধার্য ছিল। তবে করোনা পরিস্থিতিতে আদালত বন্ধ থাকায় তা পিছিয়ে ১৩ আগস্ট ধার্য হয়। সে অনুযায়ী বৃহস্পতিবার আদালত বিচার শুরুর আদেশ দিলেন।

গত ২০ ফেব্রুয়া‌রি মামলাটি বিচারের জন্য এ আদাল‌তে বদলির আ‌দেশ দেন ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ।

এ মামলায় ১১ আসা‌মির ম‌ধ্যে ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড) সাবেক এমডি একেএম শামীম ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন গত ২০ ফেব্রুয়া‌রি আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন নি‌য়ে‌ছেন। অন্য মামলায় গ্রেফতার থাকা মো. মাহবুবুল হক চিশতীকেও (বাবুল চিশতী) এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।  

এসকে সিনহাসহ মোট ৮ আসামি এখন পলাতক। তারা হলেন- ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সফিউদ্দিন আসকারী আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের মো. শাহজাহান, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, সাভারের শ্রীমতি সান্ত্রী রায় (সিমি) ও শ্রী রনজিৎ চন্দ্র সাহা।

গত ৯ ডিসেম্বর ১১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। অভিযোগত্রে ফারমার্স ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতীর (বাবুল চিশতী) নাম নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর তদন্তকালে এজাহারনামীয় আসামি ফারমার্স ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক (গুলশান) মো. জিয়া উদ্দিন আহমেদ মারা যাওয়ায় তাকে এ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।  

সেই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত ৫ জানুয়ারি এসকে সিনহাসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতা‌রি প‌রোয়ানা জা‌রি করেন আদালত।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় উত্তোলন, স্থানান্তর ও নিজেদের ভোগদখলে রেখে অবৈধ প্রকৃতি উৎস অবস্থান গোপন করে পাচার করেছেন বা পাচারের ষড়যন্ত্রে সংঘবদ্ধভাবে সম্পৃক্ত থেকে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।