Opu Hasnat

আজ ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার ২০২০,

পদ্মায় ঘূর্ণিস্রোতের কারণে শিমুলিয়ায় ঘরমুখো যাত্রীদের ভোগান্তি মুন্সিগঞ্জ

পদ্মায় ঘূর্ণিস্রোতের কারণে শিমুলিয়ায় ঘরমুখো যাত্রীদের ভোগান্তি

দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মুল প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাটের ৩ নম্বর ফেরিঘাট পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যাওয়ায় ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রিদের চরম ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে।

পদ্মায় ঘুর্নিস্রোতের কারণে শিমুলিয়া ঘাট থেকে ফেরি ছেরে গন্তব্যে পৌঁছাতে নির্দিষ্ট সময়ের চাইতে দুই থেকে তিন গুন সময় বেশি লাগছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সরেজমিনে শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত শিমুলিয়ায় ৩ নম্বর রোরো ফেরি ঘাটের পদ্মা নদীর পাড়ে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চলছে। এর আগেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে ৩ নম্বর ঘাটের সামনের রাস্তা, বিআইডব্লিউটিএ'র একটি আধা পাকা স্থাপনা ও একটি মসজিদ। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর সারে ১২টা থেকে ভাঙন শুরু হয়।

ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা শিমুলিয়া ঘাটে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে ১৬ টি ফেরির মধ্যে ১০টি ফেরি চলাচল করছে। এ রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় লঞ্চ ও স্পিডবোটগুলোতে যাত্রীদের ভিড় বেশি দেখা গেছে। তীব্র স্রোতের কারনে প্রতিদিন ২ থেকে ৩টি ফেরি অকেজো হয়ে যায়। যা মেরামত করে ফের চলাচল করা হয়।

এছাড়া ফেরি পারাপারে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা সময় বেশি লাগছে। শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে ৫টি কেটাইপ, ৩টা রোরো ও দুইটি মিডিয়ামসহ দশটি ফেরি চলাচল করছে।
বাকি ছয়টি ফেরি চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক সাফায়েত আহমেদ বলেন, ঘাট রক্ষার জন্য এ পর্যন্ত ছয় হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। যতটা সম্ভব নদী ভাঙন রোধ করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত তিন নম্বর ফেরিঘাটটি চলাচলের উপযোগি করা যায়নি। ৩ নম্বর ঘাট বন্ধ থাকায় ১, ২ ও ৪ নম্বর ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল করছে।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (টিআই) মো. হিলালউদ্দিন জানান, এ মুহূর্তে ঘাটে পারাপারের জন্য দুই শতাধিকের মতো গাড়ি আছে। নদী পারাপারের জন্য ঘাট এলাকায় পণ্যবাহী ট্রাকসহ যাত্রীবাহী গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।