Opu Hasnat

আজ ১১ আগস্ট মঙ্গলবার ২০২০,

ব্রেকিং নিউজ

বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা দিতে কিশোরগঞ্জে গড়ে তোলা হয়েছে অক্সিজেন ব্যাংক কিশোরগঞ্জ

বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা দিতে কিশোরগঞ্জে গড়ে তোলা হয়েছে অক্সিজেন ব্যাংক

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা দিতে গড়ে তোলা হয়েছে অক্সিজেন ব্যাংক। কিশোরগঞ্জে জেলা সদরের একদল তরুণের উদ্যোগে মহতী এ কার্যক্রম চালানো হবে বলে জানিয়েছে “ডেংগু রোধে কিশোরগঞ্জ” নামের স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক সামাজিক সংগঠন। জেলা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে মঙ্গলবার দুপুরে সংগঠনটির উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়। 

মহতী এ কার্যক্রমটির প্রধান উদ্যোক্তা লুৎফুল্লাহ হোসাইন পাভেল জানান, ‘মানুষের পাশে থেকে এবং বিনামূল্যে সেবা অক্সিজেনের সেবা দিতেই আমরা স্বেচ্ছাশ্রমে মাঠে কাজ করছি। আপাতত চারটি আধুনিক অক্সিজেন মেশিন ও ১০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে আমরা পথচলা শুরু করেছি। পরবর্তীতে চাহিদা অনুযায়ী আরো মেশিন ও সিলিন্ডার সংযোজন করা হবে। শুরুতে এই সেবা কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড ২৪ ঘণ্টা এ সেবা পাবে, পরবর্তীতে সমগ্র জেলায় সম্প্রসারিত করা হবে।’

এই অক্সিজেন সেবা পাওয়ার জন্য জরুরি হটলাইন নম্বর ০১৭১১১৪৫৬৬৮-এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেন পাভেল। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সমন্বয়কারী সমন্বয়কারী শহীদুল হক লাভলু ও এহতেশামুল হুদা মুনাব্বী।

কিশোরগঞ্জে বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবায় প্রাথমিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে এসেছে করছে ১. পে ইট ফরওয়ার্ড ২. মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও ৩. হাসিমুখ।

কিশোরগঞ্জ অক্সিজেন ব্যাংক এর মূখ্য সমন্বয়কারী হিসেবে আছেন অধ্যাপক ডা: খালেকুল ইসলাম ববি এবং সমন্বয়কারী হিসেবে এহতেশামুল হুদা মুনাব্বী এ সেবায় দায়িত্ব পালন করবেন। এতে চারজন ডাক্তার ২৪ ঘন্টা রোগীদের প্রয়োজনে মোবাইলে ভিডিও কলে পরামর্শ প্রদান করবেন। 

ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই বর্ষার শুরুতে গত ১৭ জুন জেলায় একদল তরুণ “ডেঙ্গু রোধে কিশোরগঞ্জ” নামের একটি স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক সামাজিক সংগঠন গড়ে তোলেন। পরে গত ১৮ জুন থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জ পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে এডিস মশার জন্মস্থল বিনাশ করতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ছয়টি ফগার মেশিনের মাধ্যমে ওষুধ ছিটানো কার্যক্রম শুরু করে সংগঠনটি। সেই সঙ্গে পৌরবাসীর মধ্যে ডেঙ্গু বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে লিফলেট বিতরণ করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিদিন ১২০ জন তরুণ স্বেচ্ছাসেবী এই কর্মসূচিতে কাজ করেন। টানা দুই সপ্তাহ ধরে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।

এই বিভাগের অন্যান্য খবর