Opu Hasnat

আজ ৫ আগস্ট বুধবার ২০২০,

ব্রেকিং নিউজ

স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আগে থেকেই দুর্বল, চিকিৎসক-নার্স গুরুত্বপূর্ণ অনেক শূন্য

খাগড়াছড়িতে নতুন ১১ জনসহ মোট আক্রান্ত ২৬৭জন খাগড়াছড়ি

খাগড়াছড়িতে নতুন ১১ জনসহ মোট আক্রান্ত ২৬৭জন

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১১জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৬৭জনে। তার মধ্যে পুলিশ সদস্য ১১৬জন ও স্বাস্থ্য কর্মী ১৮জন। তবে এর মধ্যে ৮০জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজন মৃত্যুবরণ করেছেন। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন বেশ কয়েক জন। যাদের নমুনা রিপোর্ট এখনো আসেনি।

খাগড়াছড়ি সিভিল সার্জন ডা: নুপুর কান্তি দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ পর্যন্ত দুই হাজার ১‘শ ৮১জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট এসেছে দুই হাজার ৭৮জনের। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন একজন। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন বেশ কয়েক জন। যাদের নমুনা রিপোর্ট এখনো আসেনি। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৬৭জনে। তার মধ্যে পুলিশ সদস্য-১১৬জন ও স্বাস্থ্যকর্মী-১৮জন। তবে এর মধ্যে ৮০জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তার মধ্যে খাগড়াছড়ি সদরে-১৩জন, রামগড়ে-১জন ও মাটিরাঙ্গায়-৩জন। জেলায় সর্বমোট আক্রান্তদের মাঝে পুলিশ সদস্য-১১৬জন ও স্বাস্থ্য কর্মী-১৮জন। এর মধ্যে ৮০জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজন মৃত্যুবরণ করেছেন। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন বেশ কয়েক জন। যাদের নমুনা রিপোর্ট এখনো আসেনি।

এদিকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই বেশ দুর্বল। চিকিৎসক-নার্স ছাড়াও ঘাটতি রয়েছে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি-পরিবহন, আবাসনের এবং অন্যান্য গুরুত্বপুর্ন পদটি শুন্য রয়েছে। তবু করোনাকালের এই সংকটে এখানকার চিকিৎসা সেবার সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু অপর দুই পার্বত্য জেলার মতো খাগড়াছড়িতেও করোনা পরীক্ষার ‘পিসিআর ল্যাব’ না থাকায় ভীষণ উদ্বেগের মধ্যে আছেন স্থাস্থ্য বিভাগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষরাও। 

জেলা থেকে এখন করোনা’র নমুনা চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) এবং ফৌজদার হাটের ‘বিআইটিআউডি’-তে পাঠানো হচ্ছে প্রতিদিন। কিন্তু সে দুটি প্রতিষ্ঠান আশেপাশের আরো কয়েকটি জেলার চাপে খাগড়াছড়ি জেলাবাসীকে রিপোর্ট পেতে কমপক্ষে আট থেকে দশদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এই অবস্থায় খাগড়াছড়িতে প্রতিদিনই করোনার ঝুঁকি বাড়ছে। তাই জেলার প্রতিনিধিত্বশীল বিভিন্ন সংগঠনে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে একটি ‘পিসিআর ল্যাব’ এবং ‘আইসিইউ’ ইউনিট স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে ‘সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)’-এর জেলা সভাপতি ও খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সুধীন কুমার চাকমা, ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’-এর খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর বোধিস্বত্ত দেওয়ান এবং সা: সম্পাদক এড. নাসির উদ্দিন আহমেদ, বাংলা একাডেমী পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক ও গবেষক প্রভাংশু ত্রিপুরা, বিশিষ্ঠ আইনজীবি এড. রতন কুমার দে, খাগড়াপুর মহিলা সমিতি(কেএমকেএস)-এর চেয়ারপারসন শেফালিকা ত্রিপুরা, বিশিষ্ট লেখক ও সমাজসেবী অংসুই মারমা, জাবারাং কল্যাণ সমিতি’র নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি রিপোটার্স ইউরিটি’র সভাপতি চাইথোয়াই মারমা, সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)-এর সভাপতি সাংবাদিক নুরুল আজম, কনজিউমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-খাগড়াছড়ি জেলার সা: সম্পাদক প্রদীপ চৌধুরী এবং খাগড়াছড়ি পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন-এর সা: সম্পাদক সাংবাদিক মুহাম্মদ আবু দাউদ অন্যতম। 

বিবৃতিতে তিন পার্বত্য জেলা সদর হাসপাতালে ৪৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদানের উদ্যোগ নেয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরাকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে জনপ্রতিনিধি ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের আরো আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানানো হয়।

এই বিভাগের অন্যান্য খবর