Opu Hasnat

আজ ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার ২০২০,

আমি ২৪ ঘন্টার মেয়র : মেয়র তাপস জাতীয়

আমি ২৪ ঘন্টার মেয়র :  মেয়র তাপস

মশা নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিশদ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের কথা তুলে ধরেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

তিনি বলেছেন, ‘পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো ব‌্যত‌্যয় বা অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না। আমি ২৪ ঘণ্টার মেয়র। যেকোনো সময় কার্যক্রম পরিদর্শনে যাব। সে সময় স্পটে কাউকে পাওয়া না গেলে ধরে নেবেন, তিনি আর ডিএসসিসিতে কর্মরত নেই, সে তিনি যে পর্যায়ের কর্মকর্তাই হোন।’

সোমবার (১ জুন) নগর ভবনের সেমিনার কক্ষে শেখ ফজলে নূর তাপসের সভাপতিত্বে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

লোকদেখানো কার্যক্রম থেকে বেরিয়ে এসে মেধা-দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নগরবাসীর সেবায় এগিয়ে আসতে কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ডিএসসিসির মেয়র।

তিনি বলেছেন, ‘মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত মশকনিধন কর্মীরা আন্তরিকতার সাথে কাজ করবেন। মনিটরিংয়ের দায়িত্বে নিয়োজিতরা তা সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন। লার্ভিসাইডিং কাজটি সঠিকভাবে করা গেলে মশক নিয়ন্ত্রণের অর্ধেক কাজ হয়ে যায়। এটা লোকচক্ষুর অগোচরে হয়ে থাকে, তাই নাগরিকদের মধ্যে এর প্রভাব কম। তবে ফগিং করার সময় শব্দ শুনে নাগরিকরা বুঝতে পারেন যে, সিটি করপোরেশন কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘১৪ জুন থেকে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার জলাশয়, লেক, খালে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হবে। একইসাথে নর্দমা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও চলবে। ডিএসসিসি এলাকায় এসবের মালিক সিটি করপোরেশন। তাই নগরবাসীর কল্যাণে প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যক্রম-পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে কোন সংস্থা কী করবে বা করল তা দেখা হবে না। আমাদের দায়িত্ব আমরা পালন করব। প্রয়োজনে ওইসব সংস্থা আমাদের সাথে যোগাযোগ করবে।’

জানা গেছে, বিশদ কর্মপরিকল্পনা মধ্যে রয়েছে, ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলের জলাশয়ের কচুরিপানা/ আবর্জনা পরিস্কারকরণ। প্রতিবিঘা জলাশয়ে আনুমানিক ৩০০০-৩৫০০টি তেলাপিয়া এবং ২৫টি হাঁস চাষ। জলাশয়ে নিয়মিত জাল ফেলা। সব নর্দমা পরিষ্কার। রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের আওতায় প্রতিদিন প্রতি ওয়ার্ডে ৮ জন মশককর্মীর মাধ্যমে সকাল ৯টা হতে ১টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং এবং প্রতিদিন প্রতি ওয়ার্ডে ১০ জন মশককর্মীর মাধ্যমে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফগিং কার্যক্রম চালানো। সোর্স রিডাকশন কার্যক্রমের আওতায় অনলাইনে নগরবাসীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতি ওয়ার্ডে তিনজন মশককর্মীর মাধ্যমে নাগরিকদের বাসা-কর্মস্থল প্রাঙ্গণে এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংস কার্যক্রম ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কার্যক্রম প্রভৃতি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. ইমদাদুল হক, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে‌ডিয়ার জেনারেল শ‌রিফ আহমেদ, প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর আবদুল বাতেন, সচিব মো. আকরামুজ্জামান প্রমুখ।