Opu Hasnat

আজ ৮ জুলাই বুধবার ২০২০,

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট : ঝুকি নিয়ে কর্মস্থলে ছুটছে হাজারো মানুষ রাজবাড়ী

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট : ঝুকি নিয়ে কর্মস্থলে ছুটছে হাজারো মানুষ

দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ প্রিয়জনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে করোনাকে উপেক্ষা করেই ফিরতে শুরু করেছে কর্মস্থলে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই বিভিন্ন উপায়ে আসা জনস্রোত শুরু হয়েছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে। 

শনিবার সকাল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দেখা দিয়ে উপচে পড়া ভীড়। রয়েছে ব্যাক্তিগত প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের চাপও। ঘাট এলাকায় সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে জেলা পুলিশের সদস্যদের কাজ করতে দেখা গেলেও ছিলো না জেলা প্রশাসনের কোন নজরদারি। যে কারনে কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ফেরিতে গাদাগাদি করে পার হচ্ছে মানুষ।

শনিবার বিকেলে সরেজমিনে দৌলতদিয়া ঘাটে দেখাযায়, দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া মডেল হাইস্কুল পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এলাকায় একসাড়িতে রয়েছে পন্যবাহি ট্রাকের লম্বা সাড়ি। এছারাও কফিল পাম্প পর্যন্ত এক কিলোমিটার এলাকায় আটকে আছে অন্তত ৩ শতাধীক প্রাইভেটকার মাইক্রোবাস। 

যাত্রীরা জানান করোনার ভয়ের চেয়ে চাকুরী হারানোর ভয় রয়েছে বেশি। যে কারনে পেটের দায়ে তারা জীবনের ঝুকি নিয়েই ঢাকায় কর্মস্থলে যাচ্ছেন।

এদিকে শনিবার সকালে মাত্র ৬ টি ফেরি দিয়ে পারাপার করায় প্রতিটি পল্টুনে পারের অপেক্ষায় জটলা বাধায় হাজার হাজার জনতা। সামাজিক দুরত্ব না মেনেই হুরোহুরি করে ফেরিতে উঠেন তারা। পরে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আশিকুর রহমান এ পরিস্থিতি দেখে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষকে ফেরি বারানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করলে দুপুর থেকে ৫ টি ফেরি বারিয়ে ১১টি ফেরি চলাচল করা হয়।

আর বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১১ টি ফেরি দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে। এছাড়াও দৌলতদিয়া থাকা ৬ টি ফেরি ঘাটের মধ্যে ৪ টি ঘাট দিয়ে যানবাহন উঠা-নামা করছে।