Opu Hasnat

আজ ১০ জুলাই শুক্রবার ২০২০,

বোয়ালমারীতে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ, ভাংচুর ও লুটপাট ফরিদপুর

বোয়ালমারীতে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ, ভাংচুর ও লুটপাট

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উমরনগর গ্রামে দ্বিতীয় দফায় ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৯ মে) সকাল ৮টার দিকে প্রায় ১০/১২ টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।

জানা যায়, উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের উমরনগর গ্রামের ১ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য দাউদ মেম্বার ও গুনবহা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ছিরু’র মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। এ ঘটনার রেশ ধরে পরদিন শুক্রবার (২৯ মে) সকাল ৮টায় দাউদ মেম্বারের গ্রুপের রাজু ও হাফিজারের নেতৃত্বে ওসমান, বাদশা, তৈয়ব, লিটন, মামুন, আমিনুরসহ প্রায় ৫০/৬০ জনের একটি দুর্বৃত্তদল অতর্কিত হামলা চালিয়ে ১০/১২ টি বাড়িঘর, ভাংচুর ও লুটপাট করে। এসময় ঘরে থাকা আসবাবপত্র, ফ্রিজ, টেলিভিশন, শোকেচ, আলমারী, ওয়ারড্রপ, বৈদ্যুতিক মিটার ভাংচুর করা হয়। এতে বাধা দিতে গেলে কয়েকজন নারী নিগৃহীত হয়। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুবৃর্ত্তদল উমরনগর গ্রামের মিজানুর রহমান, কামরুল মোল্যা, জিল্লুর রহমান, শফিকুর রহমান, সাইফুর রহমান, জিলহজ্ব মোল্যা, লাবু মোল্যা, আমজাদ মোল্যা, কোবাদ মোল্যা, ইশারত মোল্যার বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। এতে প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থরা জানায়। এছাড়া গবাদিপশু ও মৌসুমী ফসলও লুণ্ঠন করে দুর্বৃত্তদল।

উল্লেখ্য, গত ২৮শে মে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় সিরাজুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এ প্রক্ষিতে বোয়ালমারী উপজেলা কৃষক লীগের নেতা মোল্যা মোঃ কামরুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, সিরাজুল ইসলাম সিরুকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে তাকে এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে, তিনি এ ব্যাপারে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেছেন।