Opu Hasnat

আজ ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার ২০২০,

বায়তুল মোকাররমে ঈদের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত জাতীয়

বায়তুল মোকাররমে ঈদের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত

সিয়াম সাধনার পর আজ সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। করোনা দুর্যোগের  কারনে এবার একটু ভিন্ন মাত্রায় উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর। সকালে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের নামাজ আদায় করেন লাখো মুসল্লি।

বায়তুল মোকাররমে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পরবর্তী জামাতগুলোতে অংশগ্রহণের জন্য মসজিদের বাইরে গেটে দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন হাজার হাজার মুসল্লি। এ সময় তাদের কেউই শারীরিক দূরত্ব মানেননি। 

উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়োজিত কর্মীরা জানিয়েছেন, একদিকে ঠিক করে দিলে অপরদিকে আবারো একই অবস্থা ফিরে আসে এবং বিভিন্নভাবে সাবধান করার পরও সাধারণ মানুষ কথা শোনেননি। প্রতিক্রিয়ায় সাধারণ মানুষ বলেছেন, ইচ্ছে করে নয় অনেকটা বাধ্য হয়েই তারা এভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেছেন।
 
তবে জামাতের সময় লাইনে কিছুটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুরত্ব বজায় রাখেন মুসল্লীরা। ঈদ জামাত শেষে কোলাকুলি ও হাত মেলাননি মুসল্লিরা।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ কারী কাজী মাসুদুর রহমান।

সোমবার সকাল ৭টায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে খুতবা পেশ করা হয়। এর পর অনুষ্ঠিত হয় দোয়া ও মোনাজাত।

নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্প্রতি বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও নিহতদের জন্য দোয়া করা হয়েছে।

এবার বায়তুল মোকাররমে মোট পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে সকাল সাতটায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।  এরপর সকাল ৮টার জামাত শুরু হয় এরপর ৯টা, ১০টা এবং পৌনে ১১টায় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যান্য মসজিদের মতো বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রেও ১৩ দফা শর্ত আরোপ করা হয়েছিলো ।

এসব শর্তে বলা হয় নামাজের সময় মসজিদে গালিচা বিছানো যাবে না; নামাজের আগে পুরো মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে; জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে মুসল্লিদের; সবাইকে মাস্ক পরতে হবে; মসজিদে প্রবেশের আগে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে; মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না; নামাজের কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।বায়তুল মোকাররমে ঈদের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত

সিয়াম সাধনার পর আজ সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। করোনা দুর্যোগের  কারনে এবার একটু ভিন্ন মাত্রায় উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর। সকালে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের নামাজ আদায় করেন লাখো মুসল্লি।

বায়তুল মোকাররমে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পরবর্তী জামাতগুলোতে অংশগ্রহণের জন্য মসজিদের বাইরে গেটে দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন হাজার হাজার মুসল্লি। এ সময় তাদের কেউই শারীরিক দূরত্ব মানেননি। 

উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়োজিত কর্মীরা জানিয়েছেন, একদিকে ঠিক করে দিলে অপরদিকে আবারো একই অবস্থা ফিরে আসে এবং বিভিন্নভাবে সাবধান করার পরও সাধারণ মানুষ কথা শোনেননি। প্রতিক্রিয়ায় সাধারণ মানুষ বলেছেন, ইচ্ছে করে নয় অনেকটা বাধ্য হয়েই তারা এভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেছেন।
 
তবে জামাতের সময় লাইনে কিছুটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুরত্ব বজায় রাখেন মুসল্লীরা। ঈদ জামাত শেষে কোলাকুলি ও হাত মেলাননি মুসল্লিরা।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ কারী কাজী মাসুদুর রহমান।

সোমবার সকাল ৭টায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষে খুতবা পেশ করা হয়। এর পর অনুষ্ঠিত হয় দোয়া ও মোনাজাত।

নামাজ শেষে মোনাজাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্প্রতি বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও নিহতদের জন্য দোয়া করা হয়েছে।

এবার বায়তুল মোকাররমে মোট পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে সকাল সাতটায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।  এরপর সকাল ৮টার জামাত শুরু হয় এরপর ৯টা, ১০টা এবং পৌনে ১১টায় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যান্য মসজিদের মতো বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রেও ১৩ দফা শর্ত আরোপ করা হয়েছিলো ।

এসব শর্তে বলা হয় নামাজের সময় মসজিদে গালিচা বিছানো যাবে না; নামাজের আগে পুরো মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে; জায়নামাজ নিয়ে আসতে হবে মুসল্লিদের; সবাইকে মাস্ক পরতে হবে; মসজিদে প্রবেশের আগে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে; মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না; নামাজের কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।