Opu Hasnat

আজ ৫ জুন শুক্রবার ২০২০,

আম্পানের ধাক্কায় উপকূলের ৫১ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎহীন জাতীয়

আম্পানের ধাক্কায় উপকূলের ৫১ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎহীন

সুপার সাইক্লোন ‘আম্পান’ এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রায় ৫১ লাখ গ্রাহক। বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা থেকেই ঝড়ো আবহাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কোথাও গাছ পড়ে তার ছিঁড়েছে, কোথাও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য বিতরণ লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে অধিকাংশ এলাকায়।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো। পল্লী বিদ্যুতের প্রায় ৫০ লাখ গ্রাহকের বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে সন্ধ্যার পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির (ওজোপাডিকো) লাখখানেক গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন। অনেক আশ্রয়কেন্দ্রে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে।

বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) চেয়ারম্যান জেনারেল (অব.) মঈন উদ্দিন বলেন, আম্ফানের প্রভাবে তাদের উপকূলীয় ২২টি সমিতিতে আংশিক বা পুরোপুরি বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটেছে। এতে পটুয়াখালী, ভোলা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা, যশোর খুলনা, বরগুনা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও বরিশালের কিছু অংশসহ উপকূলীয় জেলাগুলো প্রায় ৫০ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।

তিনি জানান, ঝড়ে গাছ উপড়ে, ডাল পড়ে, খুঁটি ভেঙে উপকূলীয় এলাকায় বিতরণ লাইন ছিঁড়ে গেছে। নিরাপত্তার কারণে অনেক জায়গায় সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। না হলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি জানান, মাঠ পর্যায়ে তাদের দল প্রস্তুত রয়েছে। আবহাওয়ার উন্নতি হলেই লাইন মেরামতের কাজ শুরু হবে। এজন্য বিকেলে প্রায় ৫শ’ কর্মকর্তার সঙ্গে ঝড়ের প্রস্তুতি নিয়ে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন। তাদের ঘূর্ণিঝড় শেষ হওয়ার পর একসঙ্গে কাজে নেমে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জানতে চাইলে আরইবি চেয়ারম্যান বলেন, এখনও ক্ষতি নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।

ওজোপাডিকোর একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন ঝড়ে উপকূলীয় এলাকার প্রায় এক লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।