Opu Hasnat

আজ ৪ জুন বৃহস্পতিবার ২০২০,

স্বাস্থ্য বিধি মেনে উৎপাদন চলছে উত্তরা ইপিজেডের ২৩টি প্রতিষ্ঠানে নীলফামারী

স্বাস্থ্য বিধি মেনে উৎপাদন চলছে উত্তরা ইপিজেডের ২৩টি প্রতিষ্ঠানে

সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে সীমিত আকারে উৎপাদন প্রক্রিয়া চালছে ২৩টি শিল্প প্রতিষ্ঠানে আর এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন ১৫হাজার শ্রমিক। শতভাগ রফতানীমুখী এই ইপিজেডে উৎপাদন প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৩০টি। যেখানে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা ৩৫হাজার। 

এখানে উৎপাদিত পরচুলা, খেলনা গাড়ী, চশমা, কফিন, লেদার ব্যাগ, তৈরী পোষাকসহ বিভিন্ন রকমারী পণ্য রফতানী হচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে। এর থেকে প্রতি মাসে আয় হয় ৩০মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ইপিজেড সুত্র জানায়, ২০০১ সালের জুলাই মাসে ২শত১২একর জমির উপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সদর উপজেলার সংগলসী ইউনিয়নে এই ইপিজেড উদ্বোধন করেন। মঙ্গাপীড়িত এ অঞ্চলের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে এই ইপিজেড। এখানকার শ্রমিকরা প্রতি মাসে আয় করছেন ৪০ কোটি টাকা। এরফলে অর্থনীতির চাকা যেমন হয়েছে সচল তেমনি ঘুচিয়েছে বেকারত্ব। 

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) জেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ জানান,  সকল নিয়ম কানুন মেনে ইপিজেডটি চালু রাখলে উপকৃত হবেন এখানকার হাজার হাজার শ্রমিক। কারন এর উপর ভর করে সংসার চালান তারা। সীমিত আকারে হলেও শ্রমিকদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে ইপিজেড যেন চালু রাখা হয়।

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মাজেন বিডি ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এর মহাব্যবস্থাপক করাসোভসকি ভিক্টর বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সকল নির্দেশনা মেনে শ্রমিকরা নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। কারখানার মেঝে নিয়মিত করা হচ্ছে স্প্রে। শ্রমিকেরা মাক্স, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছেন। সামজিক নিরাপত্তা দুরত্বে বসে তারা কাজ করছেন। 

উত্তরা ইপিজেড এর মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ এনামুল হক জানান, বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থাকলেও উত্তরা ইপিজেড রয়েছে নিরাপদ। তিনি বলেন, ৩০টির মধ্যে ২৩টি উৎপাদন প্রক্রিয়া চালালেও বাকি সাতটি দ্রুত উৎপাদনে যাবে।