Opu Hasnat

আজ ৩ জুন বুধবার ২০২০,

ব্রেকিং নিউজ

করোনা মোকাবলোয় সরকারের কাছে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির ৯ দাবি! রাজনীতি

করোনা মোকাবলোয় সরকারের কাছে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির ৯ দাবি!

জাতীয় পার্টির অঙ্গসংগঠন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মোঃ আজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সরকাররে কাছে এসব দাবি জানিয়েছেন।

জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের  সভাপতি মোঃ আজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন জানান, র্বতমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সাংবাদিক সম্মলেন করা সম্ভব নয়। তাই দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মলেন করে তারা দবিগুলো উত্থাপন করতে না পারায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরকাররে কাছে দাবিগুলো তুলে ধরেছেন।

জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মোঃ আজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন বলেন, বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারণে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশ ও আজ গভীর সংকটে। দেশের মানুষ প্রতিমূহুর্তে নানান শঙ্কায় পার করছে।

তিনি বলেন, সাবেক সফল রাষ্ট্রনায়ক বিরোধী দলীয় নেতা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর জাতীয় পার্টির অভিভাবক মাননীয় চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি নির্দেশক্রমে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির  প্রতিটি ইউনিট জনগণকে সচতেনতা করা, মাস্ক ও সাবান বিতরণ করা, জীবানুনাশক ঔষধ স্প্রে করার পাশাপাশি দিনমজুর ও দরিদ্র পরিবারের পাশে খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এসব র্কাযক্রম পরিচালনা করে চলেছে।

তিনি বলনে, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ মনে করে র্বতমান এই সমস্যায় সবচেয়ে দুরাবস্থায় রয়েছে খেটে খাওয়া মানুষ, শ্রমিক পরিবার এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত ও স্বল্প আয়ের মানুষ।

জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মোঃআজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন বর্তমান সংকটে দেশের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অনুরোধ করেন এবং জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ  মানবতার সেবায় সবসময় জনগণের সাথে ও পাশে থাকবে বলে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সরকারের কাছে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৯ দফা  দাবিসমূহ নিম্নরূপ-

১। উচ্চ আয় ও সরকারি চাকরিজীবী এবং স্বচ্ছল পরিবার ব্যতীত সবাইকে বিনামূল্যে রেশন দিতে হবে।

২। লকডাউন চলাকালীন সময়ে মানুষের কাজ নেই। তাই ক্ষতিগ্রস্থ পরবিারকে মাসে নূন্যতম ৪০ কেজি চাল, ২০ কেজি ময়দা ও ৮ কেজি ডাল দিতে হবে ।

৩। সেনাবাহিনীর তত্তবধানে দ্রুততম সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরবিারের তালিকা করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন সহ সকলকে এই কাজে সহযোগিতা করতে হবে।

৪। চাল, ডাল, ময়দা ব্যতীত অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নায্যমূল্যে সরকারি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সরবারহের ব্যবস্থা করতে হবে।

৫। রেশন সামগ্রী নিয়ে কালোবাজারি কিংবা অনিয়ম রোধে প্রশাসনকে কঠোর ভূমকিা পালন করতে হবে।

৬। বিভিন্ন গার্মেন্টস শ্রমিক সহ সকল প্রকার কলকার খানা শ্রমিক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের মাসিক বেতন যেন বন্ধ না থাকে, সে বিষয়ে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

৭। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সকল ডাক্তার, নার্স সহ চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত সকলকে আস্থায় নিয়ে এসে করোনা চিকিৎসাসহ সকল নাগরিকের চিকিৎসা দেবা নিশ্চিত করতে হবে।

৮। দেশের চলমান সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির যাতে না হয়, সেজন্য দেশের ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের নেতৃত্বের অংশগ্রহণে শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে।

৯। ঘোষণার ভাষণ কিংবা প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নয়, অবিলম্বে র্কাযকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।