Opu Hasnat

আজ ৪ জুন বৃহস্পতিবার ২০২০,

আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে মাজেদের ফাঁসি কার্যকর : আইনমন্ত্রী আইন ও আদালত

আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে মাজেদের ফাঁসি কার্যকর : আইনমন্ত্রী

‘ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদের বিরুদ্ধে রায় কার্যকর করার জন্য আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই এই রায় কার্যকর করা হবে।’

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ‌্যায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক তার বাসা থেকে ভিডিও কনফারেন্সে একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সে (আব্দুল মাজেদ) কারাগারে করোনাভাইরাসের ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে কি না এমন প্রশ্ন আমার কাছে এসেছে। আব্দুল মাজেদকে মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। সে ফাঁসির দণ্ডে দণ্ডিত একজন আসামি।

‘ফাঁসির দণ্ডে দণ্ডিত আসামিদেরকে সলিডারি কনফাইনমেন্টে রাখা হয়। আব্দুল মাজেদকে সলিডারি কনফাইনমেন্ট রাখা হবে। সেহেতু সে করোনাভাইরাস ছড়ানোর কোনো ঝুঁকি সৃষ্টি করবে না।”

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

আদালতে দাখিল করা নথি থেকে জানা যায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বরখাস্ত হওয়া ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ ২৩ বছর ধরে কলকাতায় আত্মগোপনে ছিলেন। গত ১৬ মার্চ তিনি ঢাকায় আসেন। এরপর ৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আবদুল মাজেদসহ ১২ আসামিকে ২০০৯ সালে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ ও মুহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি কার্যকর হয়।

রায় কার্যকরের আগে ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা যান আসামি আজিজ পাশা।

আবদুল মাজেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর এখনও পলাতক আছেন পাঁচ জন। তারা হলেন- খন্দকার আবদুর রশীদ, শরিফুল হক ডালিম, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী, এ এম রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেম উদ্দিন।

আসামিরা সবাই সাবেক সেনা কর্মকর্তা। তারা বিভিন্ন দেশে পলাতক অবস্থায় আছেন।