Opu Hasnat

আজ ১ জুন সোমবার ২০২০,

করোনা আতঙ্ক : সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল রোগী শূন্য নীলফামারী

করোনা আতঙ্ক : সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল রোগী শূন্য

নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা সরকারি হাসপাতালের চিত্র বদলে গেছে। প্রতিদিন শত শত রোগীর মেলা বসতো যে হাসপাতালে সেখানে এখন প্রায় রোগী শূন্য। হাসপাতালে শ্বাসকষ্ট নিউমোনিয়ার রোগী ভর্তি হচ্ছেনা কদিন ধরে। বহির্বিভাগেও রোগী আসছেনা তেমন। এ উপজেলায় ৩৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন দেওয়া হয়েছিল । এর মধ্যে ১৪ দিন অতিবাহিত হওয়ায় ৪ জনকে অবমুক্ত করা হয়েছে গত শনিবার।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, মাত্র দুজন রোগী ভর্তি হয়েছেন প্রসূতি বিভাগে। বহির্বিভাগের কাউন্টারে রোগীর সারি নেই। যে দুএকজন ছিলেন তারাও এসেছেন পেট ব্যথা, বুক ব্যথার চিকিৎসা নিতে। কথা হল শহরের নতুন বাবু পাড়া থেকে আসা রোগী জয়নুল হকের (৪৫) সাথে। তিনি বলেন, বুকে সামান্য ব্যথা তাই ডাক্তার দেখাতে এসেছি। হাসপাতালটির বহির্বিভাগে প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। সে চিত্র এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে দিন দিন রোগী কমতে শুরু করেছে এ হাসপাতালে বললেন, একজন সেবিকা ।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আরিফুল হক সোহেলের সাথে কথা হয়। তিনি জানান  আমরা প্রস্তুত আছি। আমাদের হাসপাতালে ৪৮টি আসোইলেশন ও ৪০ টি কোয়ারেন্টিন বেড নিয়ে পৃথক ইউনিট খোলা হয়েছে । আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় কিট, পিপিই রয়েছে। এখন পর্যন্ত ফাঁকা পড়ে আছে বেড গুলো। পরিস্থিতি অনুকূলেই রয়েছে। তবে করোনাভাইরাসের আতঙ্কে রোগীরা হাসপাতালে আসতে ভয় পাচ্ছেন। ফলে আমরা মুঠোফোনের মাধ্যমে ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছি ।

তিনি জানান, এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে একজনও শ্বাসকষ্টের রোগী আসেননি। নিউমোনিয়ার রোগীও পাচ্ছিনা আমরা। তবে আমরা সজাগ রয়েছি । এ নিয়ে কথা হয় সৈয়দপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকারের সাথে। তিনি বলেন, সৈয়দপুরে পরিস্থিতি অনেকটা অনুকূলে। আমাদের এখানে ৩৬ জন হোম কোয়ারেন্টিনে। ১৪ দিন অতিবাহিতের পর ৪ জনকে অবমুক্ত করা হয়েছে । 

এই বিভাগের অন্যান্য খবর