Opu Hasnat

আজ ২ জুন মঙ্গলবার ২০২০,

পাইকগাছায় ভুবনী মোহীনি বালিকা বিদ্যালয়ে হ য ব র ল অবস্থা ! খুলনা

পাইকগাছায় ভুবনী মোহীনি বালিকা বিদ্যালয়ে হ য ব র ল অবস্থা !

বাংলার প্রথম প্রতিষ্ঠিত বালিকা বিদ্যালয় খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলীতে অবস্থিত বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফুল্ল চন্দ্র রায় (পিসিরায়ের) পিতার হাতে গড়া তার মায়ের নামে ভুবনী মোহিনী বালিকা বিদ্যালয়টি চলছে হ য ব র ল অবস্থায় ! দেখার কেউ নেই ? এদিকে দেশের প্রথম প্রতিষ্ঠিত বালিকা বিদ্যালয়টি সরকারী করনের দাবীতে স্থানীয় সাংবাদিকরা পত্র-পত্রিকায় বিদ্যালয়ের ইতিহাস নিয়ে লেখালেখি করে আসছে। কিন্তু বর্তমান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌতম কুমার ঘোষ ও সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ গোলদার বিদ্যালয় যথেচ্ছাভাবে পরিচালনা করে আসছে। যে কারনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিম্নমুখী। সভাপতি আব্দুল মজিদ গোলদার ভুয়া জমির দান দেখিয়ে দীর্ঘদিন দাতা সদস্য হয়ে আসছিলেন । বিষয়টি ধরা পড়ার পর বিদ্যালয়ের ফান্ডে টাকা প্রদান করে দাতা সদস্য হয়ে  বিদ্যালয়ের সভাপতি হন। বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষন্তে ৬ মাস পূর্বে দাতা সদস্য হওয়ার জন্য সভাপতি আব্দুল মজিদ গোলদার বিদ্যালয়ের ফান্ডে ১ লক্ষ টাকা দান করে। কিন্তু ২১/৩/২০২০ তারিখে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভায় প্রধান শিক্ষক গৌতম কুমার ঘোষ সভাপতিকে ৮০ হাজার টাকার একটি চেক প্রদান করলে সভাপতি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেন। যা নিয়ে এলাকায় হৈ চৈ পূর্বক নানান গুঞ্জন চলছে। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌতম কুমার ঘোষ জানান, সভাপতি আব্দুল মজিদ গোলদার আজীবন সদস্য পদ লাভ করার জন্য ফান্ডে ১ লক্ষ টাকা জমা দেয়। তার ভুল বুঝতে পেরে ২১/৩/২০২০ তারিখে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভায় ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করে নেয়। যেহেতু ম্যানেজিং কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে তাই আমি ৮০ হাজার টাকার চেকে স্বাক্ষর করে সভাপতিকে প্রদান করি। কমিটির সিদ্ধান্ত হলে ফান্ডের টাকা উত্তোলন করা যায়। 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জয়নাল আবদীন বলেন, বিষয়টি বিধি সম্মত হয়নি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো। 

বিদ্যালয়ের সভাপতি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ গোলদার বলেন, আমি জানতাম আজীবন সদস্য হওয়ার জন্য ১ লক্ষ টাকা জমা দিতে হয়। কিন্তু পরবর্তীতে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারি আজীবন সদস্য পদের জন্য ২ লক্ষ টাকা জমা দিতে হবে। তাই আমি ভুল বুঝতে পেরে ১ বছর সদস্য হওয়ার জন্য ২০হাজার টাকা বিদ্যালয়ের ফান্ডে রেখে বাকি ৮০ হাজার টাকা প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে চেকের মাধ্যমে নিয়ে নিয়েছি। 

এদিকে, এলাকায় সর্ব সাধারনের মধ্যে নানা গুঞ্জন চলছে। অভিজ্ঞ মহল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রাড়ুলী ভুবনী মোহনী বালিকা বিদ্যালয়টির দিকে সু-দৃষ্টি দেয়ার আহবান জানিয়েছেন।