Opu Hasnat

আজ ১ জুন সোমবার ২০২০,

গোটা জেলা জনশূণ্য, সেনাবাহিনীর টহল জোরদার নীলফামারী

গোটা জেলা জনশূণ্য, সেনাবাহিনীর টহল জোরদার

প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক মানব দূরত্ব নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি করছে সেনা সদস্যরা। গৃহে আবদ্ধ মানুষ। ফাঁকা সড়ক, জনশূণ্য এলাকা গোটা নীলফামারী জেলা। জেলার ৬ উপজেলা ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুর এবং সদর উপজেলায় নিরলস দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও জেলা,উপজেলা প্রশাসন।

জেলা ও উপজেলা শহর এবং প্রত্যন্ত গ্রামে সকল কাচা বাজার মুদি, ঔষধের দোকান ছাড়া অন্যান্য সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সবমিলিয়ে পুরো এলাকায় নিস্তব্ধতা নেমে এসেছে।

জরুরী প্রয়োজন ব্যতিত ঘর হতে মানুষদের বাইরে না যেতে সেনা ও পুলিশ সদস্য ও তথ্য অফিস মাইকিং করে সতর্ক করে দিচ্ছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে সেনাবাহিনীর টহল চলছে। 

জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, রংপুরের শহীদ মাহবুব সেনানিবাসের সেনা সদস্যরা নীলফামারী জেলার দায়িত্ব পালন করছে। মেজর ইরফানের নেতৃত্বে সেনাদল মাঠে কাজ করছেন। কোথাও যেন জনসমাগম না হয় বা জনগণ যাতে অযথা বাহিরে না বের হয়ে বাড়িতে অবস্থান করে সে বিষয়ে তারা নজরদারি করছেন। মানুষকে করোনা সম্পর্কে বোঝাচ্ছেন তারা। সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে জনগণকে বাড়িতে নিজে নিরাপদে থাকার ও অপরকে নিরাপদে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। 

এছাড়া করোনা আতঙ্ককে কাজে লাগিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম যেন কেউ বাড়াতে না পারেন সে বিষয়টি তারা নিশ্চিত করছেন। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করেই সেনা সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালন করছেন। জেলা প্রশাসনের ১৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কাজ করছে। অপরদিকে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রিক্সা, অটোরিক্সা ও ভ্যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছেন।

এ ছাড়া বিদেশ ফেরত প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে সার্বক্ষনিক নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা. রনজিৎ কুমার বর্মণ। 

এই বিভাগের অন্যান্য খবর