Opu Hasnat

আজ ২৩ জানুয়ারী বুধবার ২০১৯,

ব্রেকিং নিউজ

বিরামপুরসহ চার উপজেলায় ২শ শিক্ষক টাইম স্কেল জালিয়াতি করেন শিক্ষাদিনাজপুর

বিরামপুরসহ চার উপজেলায় ২শ শিক্ষক টাইম স্কেল জালিয়াতি করেন

দিনাজপুরের বিরামপুরসহ চার উপজেলায় বেশির ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৯৯ শতাংশ মাদ্রাসা দেড়শতাধিক সহকারী মৌলভী ও সহকারী শিক্ষকরা  বে-সরকারী মাদ্রসা এবং মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুইশতাধিক শিক্ষক ঘুষদিয়ে নিম্ন ধাপ থেকে উচ্চ ধাপে বেতন (টাইম স্কেল) পরিবর্তন করে জালিয়াতি করেছেন। 

বৃহস্পতিবার চার উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক অধিদপ্তরের রংপুর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক, মোস্তাক হাবীব (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, রংপুর বিভাগে অবৈধ ভাবে উচ্চধাপে বেতন পরিবর্তন করে ৫২৩ জন শিক্ষককে সনাক্ত করা হয়েছে এর মধ্যে ৪০% শিক্ষকই চার উপজেলার। 

মাধ্যমিক ও উচ্চ  শিক্ষা অধিদপ্তরে সূত্র জানায়, মাধ্যমিক ও শিক্ষা অধিদপ্তরে কিছু সংখ্যক অসাধু কর্মকর্তা -কর্মচারী এই টাইম স্কেলের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন।

নবাবগঞ্জ মাধ্যমিক শিক্ষাকর্মকর্তা দীপক কুমার বণিক বলেন, মাদ্রাসায় সহকারী মৌলভী শিক্ষক পদে ফাজিল বা সমমান ডিগ্রি থাকলে তিনি ৬ হাজার ৪শ টাকা স্কেলে (১১ কোড) চাকুরীতে যোগদান করবেন। যদি ওই প্রার্থীর কাম্য যোগ্যতাসহ বিএড (ব্যাচেলর অব মাদ্রাসা এডুকেশন) সমমান ডিগ্রি থাকে তবে তিনি আট হাজার (১০ কোড) টাকার স্কেল পাবেন। যদি কোন শিক্ষক শুধু ফাজিল পাসের ডিগ্রি নিয়ে চাকুরী শুরু করেন এ ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত আট বছর পর ওই শিক্ষক একটি টাইম স্কেল পেয়ে সর্বশেষ আটহাজার টাকার স্কেল প্রাপ্ত হবেন। যে শিক্ষক ফাজিল ডিগ্রির পাশাপাশি  বিএমএড ডিগ্রি নিয়ে চাকুরীতে যোগদান করবেন তিনি সরাসরি ৮ হাজার টাকার স্কেল প্রাপ্ত হবেন। ওই শিক্ষক এমপিওভুক্ত ৮ বছর পরে টাইম স্কেল নিয়ে সর্বশেষ ১১ হাজার (৯ কোড) টাকার স্কেল প্রাপ্ত হবেন। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা বলেছেন, এই চার উপজেলায় বিএমএড ডিগ্রিধারী কোনো সহকারী মৌলভী শিক্ষক নেই। তিনি আরও বলেন চার উপজেলায় বিএমএড ডিগ্রিধারী কোনো সহকারী মৌলভী শিক্ষক নেই। 

বিরামপুর-হাকিমপুর উপজেলার বেশির ভাগ শিক্ষক বলেছেন, চাঁদপুর ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী শিক্ষক নুর মোহাম্মদ টাইম স্কেল জালিয়াতি জড়িত শিক্ষকদের আব্দুল হামিদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর তারা আব্দুল হামিদকে টাকা দিয়ে উচ্চতরে স্কেল নেন নুর মোহাম্মদ বলেন আত্মীয়তার পরিচয়ে তার বাসায় আসতেন তিনি শুধু তার নিজের কাজটি করেছেন। অন্য শিক্ষকদের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।