Opu Hasnat

আজ ১ জুন সোমবার ২০২০,

করোনায় দুর্গাপুর শহর লকডাউন, বিপাকে নিম্নআয়ের মানুষ নেত্রকোনা

করোনায় দুর্গাপুর শহর লকডাউন, বিপাকে নিম্নআয়ের মানুষ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দুর্গাপুর পৌর এলাকা সহ অন্যান্য বাজারগুলো ‘লকডাউন’ করা হয়েছে। উপজেলার বড় বড় দোকান গুলো এখন জনশূন্য। বিক্রয়ের জন্যেও হাট-বাজারে নিয়ে আসছেনা কোন পন্য।

শুক্রবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখাগেছে, প্রয়োজন ছাড়া উপজেলার দুর্গাপুর, শিবগঞ্জ, গুজিরকোনা, জানজাইল, কুমুদগঞ্জ, চন্ডিগড়, উৎরাইলসহ সব কয়টি বাজারে অহেতুক চলাফেরা, ৫ জনের বেশি একত্রিত না হওয়া, এর ব্যত্বয় হলেই  জবাবদিহিতা করতে হচ্ছে প্রশাসনের কাছে। শহর ও আশপাশে বাজার গুলোতে প্রতিনিয়ত মনিটরিং করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা খানম, অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এতে গণজামায়েত, ৩ জনের বেশি একত্রে চলাফেরা, গণপরিবহন, চা-পানে দোকান খোলা সম্পুর্ন নিষিদ্ধ রয়েছে। নৃত্যপ্রয়োজনীয় দোকান, কাঁচাবাজার, মোদিখানা, ফার্মেসী এবং জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান প্রশাসনের নজরদারির মাধ্যমে খোলা রয়েছে। পাশাপাশি সংক্রমণ রোধে বেশি বেশি করে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং নিজ অবস্থানরত বাড়ির আশপাশে পরিস্কার পরিছিন্ন রাখতেও বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা ও পৌরপ্রশাসন। 

অপরদিকে, সকলকিছু বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ গুলো। নিজে কাজে যেতে না পারায় সন্তানদের মুখেও দিতে পাছেনা খাবার। সংটক মোকাবেলায় দিনমজুর ও কৃষক পড়েছে দুশ্চিন্তায়। সরকারি অনুদান প্রদানের ঘোষণা দিলেও ওই সাহায্য এখনো আসেনি দুর্গাপুরে। 

দিনমজুর রমিজ উদ্দিন বলেন, ‘৩দিন ধইরা কামকাইজ বন্ধ, আইজ না গেছেগা, কাইল তো চাউল না আনলে না খাইয়া থাকবাম, ছেড়া ডা মডর গ্যরেজো কাম করে হেইডাও বন্ধ, এইডা দেহি কিয়ামতের নমুনা!’ কতদিন এ অবস্থা চলবে, সামনের দিন গুলো কি হবে, তা নিয়ে ভাসছেন নিম্নআয়োর মানুষ। লকডাউন থাকার কারনে উপজেলা সহ আশপাশের এলাকায় দ্রুতই বেশনিং কার্যক্রম চালুর দাবী দানিয়েছে উপজেলাবাসী।