Opu Hasnat

আজ ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার ২০২০,

অফুরান শ্রদ্ধাঞ্জলি // সৈয়দা রুখসানা জামান শানু শিল্প ও সাহিত্য

অফুরান শ্রদ্ধাঞ্জলি // সৈয়দা রুখসানা জামান শানু

বিশ্বায়নে আছে যাঁর লেখা  
জলন্ত অমর কাব্যকথা
সেই যুগের নায়ক জন্ম নেয়
শতবর্ষ আগে শ্যামলী গাঁয়
সায়রা খাতুন-শেখ লুৎফর রহমানের ঘরে
১৯২০খ্রিষ্টাব্দে’র সতেরো মার্চে।

নেতৃত্বের গুণাবলী নিয়ে
বেড়ে ওঠেন খোকা নামে
এরপর হয়ে ওঠেন ক্রমেই
সকলের প্রিয় মুজিব ভাই
অকৃত্রিম ভালোবাসায় জনসাধরণের
বাঙালির মুক্তির সনদ গ্রেফতার আটবার।

পরিপূর্ণ নেতা তিনবার কারাবাসে
তবুও আপোস করেন নাই অন্যায়ের সাথে
শেষ কারাবাস শুরু হয় ২৬মার্চ ১৯৭১সালে
কাটে ন’মাস পাকিস্থানের নির্জনে
এলো পাকবাহিনীর আত্মসর্মপণ অবশেষে
১৬’ডিসেম্বর রেসকোর্সের ময়দানে।

অবিসংবাদিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু খেতাবে
ফিরলেন জয়বাংলার শ্লোগান নিয়ে স্বাধীন দেশে
প্রিয় নেতার অর্ভ্যথনায় ১০ জানুয়ারি ১৯৭২সনে
সকল উদ্বেগ উৎকন্ঠার অবষান স্বস্তির নিশ্বাসে
পরম আনন্দে আকাশে-বাতাসে মুর্হুমুহু শব্দে শব্দে
চারদিক মুখরিত জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

বলিষ্ঠ নেতৃত্বে কাঙ্খিত অর্জন এলো স্বাধীন দেশ
জাতি গঠনে যখন মহান নেতার নিরলস মনোনিবেশ
ঠিক তখনি বেঁজে ওঠে ভয়ংকর অশনি সংকেত
চেনা অচেনারা দিনের আলোয় চিবুক করে ক্ষত
লুটেরাগণ বাকশক্তি লুটে নিলো জাতির
বাঙালির চোখের পানি হয়ে গেল পাথর
ভেঙ্গে গেল কোটি কোটি বুকের-পাঞ্জর।
 
স্তব্ধতায় সারা দেশ গেলো ছেয়ে
নিকষ আঁধার নামে বাঙালির জীবনে
হায়ানাদের মেশিনগানের ফায়ারে
ধানমন্ডির বাসভবন দিল ছারখার করে
অনন্তলোকে হারিয়ে গেলো বঙ্গবন্ধুর
ভালোবাসায় সিক্ত গোটা পরিবার।

নারকীয় পনেরো আগস্ট উনিশশত পঁচাত্তর সাল
মুক্তিযুদ্ধের সকল চেতনাকে নস্যাৎ করতে চেয়েছিল
জাতির সৌভাগ্য বঙ্গবন্ধুর কন্যাদ্বয় সুরক্ষিত ছিল
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবাহী শ্লোগান বুকে ধারণ করে
অবরুদ্ধ দেশকে মুক্ত করেন একুশ বছর পরে
ধীরে ধীরে কঠোর পরিশ্রমের ভিতর দিয়ে
জননেত্রী উন্নয়নের পাখা মেলে ধরেন পৃথিবীর বুকে।

অবিস্মরণীয় নেতা জাতির পিতার আহবান
নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অর্জন
তোমাকে কিভাবে আমি ভুলিতে পারি
মৃৃত্যুঞ্জয়ী হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বীর বাঙালি
শেখ মুজিবুর রহমানের ১৭’মার্চ ২০২০খ্রি
জন্ম শতবর্ষে জানাই অফুরান শ্রদ্ধাঞ্জলি।


লেখনীর স্থান: বাঙলা-বঙ্গ সাঁকো, সৈয়দপুর।
৪’জানুয়ারি, ২০২০খ্রি: