Opu Hasnat

আজ ৩১ মার্চ মঙ্গলবার ২০২০,

মুজিববর্ষ পালনের নামে কেউ চাঁদাবাজি করবেন না : ওবায়দুল কাদের রাজনীতি

মুজিববর্ষ পালনের নামে কেউ চাঁদাবাজি করবেন না : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, মুজিববর্ষ পালনের জন্য কেউ ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না। আমরা ক্ষমতায় আছি, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। তাই যতটা সম্ভব বিনয়ী থাকবেন। মুজিববর্ষ পালনের নামে কেউ চাঁদাবাজি করবেন না। চাঁদাবাজি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে অনুরোধ করবো যে কোনো পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা করে, এই মুজিববর্ষের ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখবেন। বঙ্গবন্ধু যে বিনয়ের শিক্ষা, ধৈর্য ও ত্যাগের শিক্ষা দিয়ে গেছেন, তা থেকে শিক্ষা নেবেন। মুজিববর্ষ উদযাপনের নামে এলাকায় এমন কোনো আচরণ কারো সঙ্গে করবেন না, যাতে মানুষ কোনো প্রকার হয়রানির শিকার হন ও কষ্ট পান।

তিনি বলেন, মুজিববর্ষের কোনো অনুষ্ঠান নিয়ে কেউ যেন চাঁদাবাজির দোকান খুলে না বসে। চাঁদাবাজি করে এই অনুষ্ঠান যাতে কেউ না করে। ঘরে ঘরে গিয়ে মুজিববর্ষ করতে হবে, চাঁদা দিতে টাকা হবে ধার্য করবেন, অমুক দোকানদারকে এত দিতে হবে, অমুক ব্যবসায়ীকে অত দিতে হবে, অমুক বাড়িওয়ালাকে এত দিতে হবে, এসব বাড়াবাড়ি কোনো অবস্থায় সহ্য করা হবে না।

ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতাকর্মীদের আরও বলেন, মুজিববর্ষ পালনকালে দলের নেতাকর্মীরা অনেকে পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও বিলবোর্ড করবেন। কিন্তু সেখানে নিজেদের ছবি ব্যবহার করবেন না। তবে নামটা ব্যবহার করতে পারেন। ছবি ব্যবহার যারা করবেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে মনিটরিং করার জন্য দলের একটি টিম থাকবে। কে কোথায় কী করছেন সব মনিটরিং করা হবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে পোস্টারিং করতে গিয়ে নিজের নাম জাহির করার মতো ঘটনা যেন না ঘটে। আত্মপ্রচার করার জন্য যেন পোস্টার করা না হয়। কোথাও কোনো পোস্টারে যেন কারো ছবি না দেখি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মুজিববর্ষ শুধু ১৭ মার্চের কর্মসূচি নয়। এটা সারা বছরের কর্মসূচি। ১৭ মার্চ প্যারেড গ্রাউন্ডে বছরব্যাপী কর্মসূচির শুরু হবে। ওই কর্মসূচিতে বিদেশি অতিথিরা থাকবেন। দলীয় নেতাকর্মীরা এমন নম্র ও ভদ্র আচরণ করবেন যাতে কর্মীদের আচরণে তারা তল সম্পর্কে জানতে পারে। ওই অনুষ্ঠানে তিনি নেতাকর্মীদের দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন।

যৌথসভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, ঢাকা মহানগরের অন্তর্গত দলীয় সংসদ সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, মহানগরের অর্ন্তগত থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরা।