Opu Hasnat

আজ ২৯ মার্চ রবিবার ২০২০,

অর্থ আত্মসাতের ৮ মামলায় ক্যাশিয়ারের সাজা ফরিদপুর

অর্থ আত্মসাতের ৮ মামলায় ক্যাশিয়ারের সাজা

গত দুই মাসে ফরিদপুর স্পেশাল জজ আদালতের ৮টি মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের সাবেক ক্যাশিয়ার টি.এম কামরুল হাসানের। তার বিরুদ্ধে দুদুকের দেয়া অর্থ আত্মসাতের মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন ফরিদপুর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোঃ মতিয়ার রহমান। তিনি বর্তমানে শরীয়তপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হিসাব রক্ষক হিসেবে কর্মরত। এদিকে সোমবার ৮ম তম মামলায় রায় ঘোষনার সময় অভিযুক্ত পলাতক ছিলেন। টি.এম কামরুল হাসান মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ গ্রামের বাদশা তালুকদারের পুত্র। স্পেশাল জজ আদালতের মামলা নং- ৪৯/১৫। দুদুকের পক্ষ থেকে গত ২০০২ সালের ১৬ জুলাই মাদারীপুর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মাদারীপুর থানা মামলা নং- ৩৬/০২। 

মামলার রায়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হওয়ায় দ্যা পেনাল কোড, ১৮৬০ এর ৪০৯ ধারায় দোষি সাব্যস্ত করে তিন বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫২ হাজার ৭শত ৩ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড, একই আইনের ৪৬৮ ধারায় তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড, একই আইনের ২১৮ ধারায় তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড। এছাড়া ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়। মামলায় রায়ের অপরাধের সাজা একত্রে গননা করা হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।  

মামলাটি পরিচালনা করেন দুদুকের আইনজীবি পিপি এ্যাড. নারায়ন চন্দ্র দাস। এ্যাড. নারায়ন চন্দ্র দাস বলেন, তার বিরুদ্ধে এর আগে জানুয়ারী মাসে তিনটি ও ফেব্রুয়ারী মাসে এ পর্যন্ত ৫টি মামলায় সাজা প্রদান করা হয়েছে। তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে আটকের সাথে সাথে এই রায় কার্যকর করার নির্দেশ প্রদান করেছেন আদালতের বিচারক।