Opu Hasnat

আজ ২৯ মার্চ রবিবার ২০২০,

ফরিদপুরে প্রতারণা করে ১০ বিঘা জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ ফরিদপুর

ফরিদপুরে প্রতারণা করে ১০ বিঘা জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ

ফরিদপুরে প্রতারণা করে ১০ বিঘা জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনা ঘটেছে ভাঙ্গা উপজেলার আলগি ইউনিয়নের শারসাকান্দি গ্রামে। 

অভিযোগ ওই এলাকার ৩৮ নম্বর চন্ডিদাসদী মৌজায় অবস্থিত পারুল রহমানের পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া ১০ বিঘা জমি প্রতারণা করে দলিল করে নিয়েছেন শারসাকান্দি গ্রামের মো. কাওসার তালুকদার ও মো. জয়নাল সিকদার।

ফরিদপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন বাংলাদেশী বংশদ্ভুত কানাডার নাগরিক বিধবা পারুল রহমান (৮২)। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে অশিতপর বৃদ্ধা পারুল রহমান অভিযোগে করে বলেন, আমি দেশের বাইরে থাকায় গ্রামের জমিজমা দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কাওসার তালুকদার ও মো. জয়নাল সিকদারকে আম-মোক্তার নামা করে দেন। কিন্তু ওই দুই ব্যাক্তি কৌশলে তার ১০ বিঘা জমি তাদের নামে লিখে নেন।

তিনি বলেন, গত ২ ডিসেম্বর আমি আম-মোক্তার নামা করে দেই এবং ৬ ডিসেম্বর জানতে পারি আমার সমস্ত সম্পত্তি লিখে নেওয়া হয়েছে। 

এ প্রেক্ষাপটে গত ৮ ডিসেম্বর পারুল রহমান আম-মোক্তারনামার মাধ্যমে দলিল সম্পাদন না করার জন্য উপজেলা সাব রেজিস্টারের কাছে লিখিত আবেদন দেন। একই সাথে ওই দুই ব্যাক্তি তার জমি যাতে বিক্রি করতে না পারে এ ব্যাপারে তিনি উপজেলা সাব রেজিস্ট্রারের কাছে অনুরোধ করেন ওই একই আবেদনে।

মো. কাওসার তালুকদারের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। মো. জয়নাল সিকদারের মুঠোফোন ফোন করা হলে তার ফোনটি ধরেন তার স্ত্রী আসিয়া বেগম। আসিয়া বেগম জানান, তার স্বামী বাড়িতে ফোন রেখে ক্ষেতে গেছেন।

পারুল রহমানের অভিযোগের ব্যাপারে আসিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ‘কেউ কি কারো জমি ভুল বুঝিয়ে লিখে নিতে পারেনা’-মন্তব্য করে  বলেন, পারুল রহমান তার স্বামী ও কাওসারের কাছে জমি বিক্রি করে দিয়ে টাকা বুঝে  নিয়েছেন। এখানে তার সাথে কোন অন্যায় করা হয়নি। 

আসিয়া বলেন, এখন পারুল রহমান তার জমির ব্যাপারে যে সব কথা বলে বেড়াচ্ছেন তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।