Opu Hasnat

আজ ১৫ ডিসেম্বর শনিবার ২০১৮,

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে কলেরার স্যালাইন সংকট, রোগীদের ভোগান্তি স্বাস্থ্যসেবাঝালকাঠি

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে কলেরার স্যালাইন সংকট, রোগীদের ভোগান্তি

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে দীর্ঘ দিন ধরে কলেরার স্যালাইন সংকট রয়েছে। আর এক সপ্তাহ পরে স্যালাইন শূন্য হয়ে যাবে। ১ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবর দুপুর পর্যন্ত ৯২ জন কলেরা আক্রান্ত রোগী সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে এবং আরো শতাধিক রোগী আউটডোরে টিকিট কেটে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে। কর্তৃপক্ষ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার লিখিতভাবে অবহিত করলে বরাদ্দ না পাওয়ায় হতাশায় রয়েছে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

সোমবার দুপুরে সদর হাসপাতালে দায়িত্বপালনকারী নার্স মঙ্গলা দাস বলেন, অনেক দিন ধরে শরীরে পুশ করার স্যালাইন সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। কিন্তু খাবার স্যালাইন পর্যাপ্ত রয়েছে। ১ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবর দুপুর পর্যন্ত সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ৯২ জন এবং আউটডোরে শতাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়েছে। রোগীরা ভর্তি হবার সাথে সাথে প্রাথমিক স্যালাইনটি এখান থেকে দেয়া হয়। এরপরে প্রয়োজন হলে রোগীর স্বজনরা কিনে নিয়ে আসে। বড়দের জন্য ১ হাজার মিলিলিটার এবং ছোট বাচ্চাদের জন্য ৫শ মিলিলিটারের স্যালাইন দেয়া হয়। 

সদর হাসাপাতালের স্টোর কিপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, অনেক দিন ধরে স্যালাইন সরবরাহ বন্ধ থাকায় ঘাটতি রয়েছে। এখন মোটামুটি সামাল দিতে পারছি কিন্তু চিন্তা হচ্ছে ১ সপ্তাহ পরে স্যালাইন শূন্য হয়ে যাবে। এ নিয়ে আমরা সিএস (সিভিল সার্জন) এর কাছে লেখালেখি করছি, তিনিও ঢাকায় লেখালেখি করলেও বরাদ্দ পাচ্ছি না। 

সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ মানস কৃষ্ণ কুন্ডু বলেন, কলেরা রোগীদের জন্য বর্তমানে খাবার স্যালাইন পর্যাপ্ত থাকলেও শরীরে পুশ করার স্যালাইন সরবরা বন্ধ রয়েছে। যার কারণে এখন ঘাটতি রয়েছে।

সিভিল সার্জন ডাঃ আঃ রহিম বলেন, আমরা স্যালাইন সংকটে ভুগছি। এনিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লেখালেখি করছি। কোন বরাদ্দ না পাওয়ায় সংকট আরো ঘনিভূত হচ্ছে।