Opu Hasnat

আজ ৩ এপ্রিল শুক্রবার ২০২০,

পদ্মাসেতুতে বসলো ২৩তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৩৪৫০ মিটার মুন্সিগঞ্জ

পদ্মাসেতুতে বসলো ২৩তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৩৪৫০ মিটার

শরিয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মাসেতুর ২৩তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো সেতুর ৩ হাজার ৪৫০ মিটার। রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা ৫০মিনিটে ‘৬-এ’ নম্বর স্পেনটি ৩১ ও ৩২ নম্বর পিলারের উপর বসানো হয়েছে। সেতুর ২২তম স্প্যান বসানোর ১০ দিনের মাথায় বসলো ২৩তম স্প্যানটি। 

এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় মুন্সীগঞ্জের মাওয়া কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যে ও ৩ হাজার ১৪০ টন স্প্যানটিকে বহন করে ৩ হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান-ই’ ভাসমান ক্রেন। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যেই নির্ধারিত পিলারের সামনে গিয়ে পৌঁছায় স্পেনটি। ভাসমান ক্রেনটি নোঙর করে পজিশনিং করে ইঞ্চি ইঞ্চি মেপে স্প্যানটিকে তোলা হয় পিলারের উচ্চতায়। রাখা হয় দুই পিলারের বেয়ারিং এর ওপর। স্প্যান বসানোর জন্য উপযোগী সময় থাকায় এবং সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রকৌশলীরা স্প্যান বসাতে সক্ষম হন।

পদ্মা সেতুর সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ন কবির এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো জানান, পদ্মা সেতুর মোট ৪২টি পিলারের মধ্যে বর্তমানে কাজ সম্পন্ন হয়েছে ৩৫টির। সেতুর ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে ইতিমধ্যে ৪১০টি রেল স্ল্যাব বসানো হয়েছে। ২ হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে ১২৫টি স্ল্যাব বসানো সম্পন্ন হয়েছে। 

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর আগামী ২০২১ সালেই খুলে দেয়ার কথা রয়েছে।

এই বিভাগের অন্যান্য খবর