Opu Hasnat

আজ ২৩ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার ২০২০,

ফমেক হাসপাতালের ‘পর্দা কেলেংকরি’ ঘটনায় তিন চিকিৎসক কারাগারে ফরিদপুর

ফমেক হাসপাতালের ‘পর্দা কেলেংকরি’ ঘটনায় তিন চিকিৎসক কারাগারে

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহুল আলোচিত ‘পর্দা কেলেংকরি’ ঘটনায় পরস্পর যোগসাজশে অপ্রয়োজনীয় ও অবৈধভাবে প্রাক্কলন ব্যাতিত উচ্চমূল্যে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি (ইকুভমেন্ট) ক্রয়ের মাধ্যমে সরকারের ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা দুদকের মামলায় তিন চিকিৎসককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীর জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রবিবার সকালে ওই তিন চিকিৎসক জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) এর দায়িত্বে নিয়োজিত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এক নম্বর আদালতের কামরুন্নাহার বেগমের আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানান। আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাদের জেলা কারাগারে  প্রেরণের আদেশ দেন।

ওই তিন চিকিৎসক হলেন, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দন্ত বিভাগের সহকারি অধ্যাপক গণপতি বিশ্বাস ওরফে শুভ, ওই হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সাবেক জুনিয়র কনসালটেন্ট মিনাক্ষী চাকমা ও ওই হাসপাতালের সাবেক প্যাথলজিস্ট এ এইচ এম নুরুল ইসলাম।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এক নম্বর আদালতে পিপি দুলাল চন্দ্র সরকার বলেন, ওই তিন চিকিৎসক গত ২ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীন জামিন নেন। হাইকোর্ট এ অন্তবর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষ হলে তাদের নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল ওই তিন চিকিৎসক আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালতের নির্দেশের পর ওই তিন চিকিৎসককে আদালত প্রঙ্গন থেকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে ‘পরস্পর যোগসাজশে অপ্রয়োজনীয় ও অবৈধভাবে প্রাক্কলন ব্যাতিত উচ্চমূল্যে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি (ইকুভমেন্ট) ক্রয়ের মাধ্যমে সরকারের ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তিন চিকিৎসক দুইজন ঠিকাদার, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ  মোট ছয় জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন ফরিদপুরের  জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে।