Opu Hasnat

আজ ২১ জানুয়ারী মঙ্গলবার ২০২০,

ব্রেকিং নিউজ

সারাদেশে শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে শনিবার স্বাস্থ্যসেবা

সারাদেশে শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে শনিবার

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে শনিবার। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে দুই কোটির বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব তথ্য জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ছয় মাসের কম ও পাঁচ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না। এ ছাড়া বিশ্ব ইজতেমার কারণে গাজীপুর জেলার সব উপজেলা এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন আগামী ২৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

জাহিদ মালেক বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কারণে শিশু রাতকানা রোগের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতা থেকে রক্ষা পায়। এ ছাড়া ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। তা ছাড়া ভিটামিন 'এ' শিশুর ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও হামজনিত জটিলতা হ্রাস করে।

ক্যাপসুল খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অবশ্যই মাঠকর্মী অথবা স্বেচ্ছাসেবক খাওয়াবেন। কোনো অবস্থাতেই অভিভাবক কিংবা শিশুর হাতে দেওয়া যাবে না। কান্নারত অবস্থায় কিংবা জোর করে শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। সবগুলো ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল একসঙ্গে কেটে রাখা যাবে না। ক্যাপসুলের মুখ কাঁচি দিয়ে কেটে ভেতরের সম্পূর্ণ তরল শিশুকে খাওয়াতে হবে। কোনোভাবেই পুরো ক্যাপসুল শিশুকে খাওয়ানো যাবে না।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশব্যাপী এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এর বাইরে রেলস্টেশন, বাসস্টেশন, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, বঙ্গবন্ধু ব্রিজ, দাউদকান্দি, মেঘনা ব্রিজসহ আরও ২০ হাজার অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আ খ ম মহিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।