Opu Hasnat

আজ ১১ আগস্ট মঙ্গলবার ২০২০,

ব্রেকিং নিউজ

সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের শার্শা শাখার পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত যশোর

সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের শার্শা শাখার পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগ শার্শা উপজেলা শাখার পরিচিত সভা শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার সময় বেনাপোল বাজারের সোনালী ব্যাংকের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শার্শা উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি এস এম ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক বিপ্লব হোসেনের সঞ্চালনায় এই পরিচিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শার্শার সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন। সম্মানীত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কেন্দীয় কমিটি ঢাকার সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান খান ও প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ইনসুর আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান, পৌর আ’লীগের সভাপতি এনামুল হক মুকুল, বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান, বেনাপোলে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বজলুর রহমান, বাগআঁচড়া ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াস কবীর বকুল, শার্শা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অহিদুজ্জামান অহিদ, শার্শা উপজেলা বাস্তহারা লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সরর্দার ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাসেল, পৌর সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুলফিকার আলী মন্টু, সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেন ও দপ্তর সম্পাদক নাজিম ইদ্দন রাব্বি, ৯২৫ হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রাজু আহম্মেদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আরিফ হোসেন রুবেল, আল- ইমরান, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মামুন জোয়ার্দ্দার ও সাধারন সম্পাদক তৌহিদুর রহমান তহিদসহ প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে শার্শা উপজেলা শ্রমিক লীগের ৩১ সদস্য কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।

প্রধান অতিথি শেখ আফিল উদ্দিন বলেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও স্বাধীনতা বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্নভাবে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। স্বাধীনতা বিরোধীদের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে শার্শা উপজেলার সকল শ্রমিকদের মুজিব আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবন্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করার জন্য অনুরোধ করেন। বিগত দিনে শ্রমিকরা বেনাপোল স্থলবন্দরে অনেক নির্যাতিত হয়েছে, তাদের কষ্টার্জিত অর্থ লুটপাট করেছে একশ্রেণীর রাজনৈতিক নেতারা, একজন নেতার ছত্রছায়ায় শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করেনি, সব লুটে-পুটে খেয়েছে। তিনি হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন আগামীতে আমি থাকাকালীন সময়ে কোন শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না। অনুষ্ঠান শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।