Opu Hasnat

আজ ৯ আগস্ট রবিবার ২০২০,

সুরমার নদীতে অবৈধ টোল আদায় বন্ধের দাবীতে শ্রমিকদের মানববন্ধন সুনামগঞ্জ

সুরমার নদীতে অবৈধ টোল আদায় বন্ধের দাবীতে শ্রমিকদের মানববন্ধন

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাক ইউনিয়নের সুরমা ও বৌলাই নদীতে টোল আদায়ের নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে হাজারো শ্রমিকের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন সুরমা নদীর তীরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, গজারিয়া বালুঘাটের শ্রমিক সর্দার মোঃ কামরুল মিয়া, বশির মিয়া, শ্রমিক মিল্লিক বাহাদুর, জসিম মিয়া, বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ প্রবাল মিয়া, মোঃ পারভেজ মিয়া, মোঃ শরিফ, এরশাদ মিয়া, নবী হোসেন, জলিল মিয়া, ইয়াসিন মিয়া  প্রমুখ।  

শ্রমিকরা বলেন, বিআইডব্লিউটিএর নির্ধারিত প্রতি ফুট বালু হতে ২৫ পয়সা করে টোল আদায়ের নিয়ম থাকলে ও ইজাদারা ইয়াকবির আফিন্দির নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি চাদাঁবাজচক্র প্রতিদিন  গজারিয়া ঘাটের সুরমা নদীতে এসে বালু বোঝাই ভলগেট নৌকা  আটকিয়ে নৌকার মাঝিকে মারধোর কে প্রতি ফুটে ১ টাকা ২৫ পয়সা হারে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা চাদাঁ আদায় করে নিচ্ছে। এতে কেহ প্রতিবাদ করলে তাদের উপর শারীরিক নির্যাতন করায় ঘাটে নৌকা আসা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে হাজারো শ্রমিক বর্তমানে মানবতের জীবন যাপন করছেন। এমনকি প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল কাটানোর হুমকি ও অব্যাহত রয়েছে বলে তারা জানান। অবিলম্বে এই নদীতে চাদাবাজি বন্ধ করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিআইডব্লিউটির এর কৃর্তপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান। অন্যতায় আগামীতে কঠোর  আন্দোলনে যাওয়ার  হুশিয়ারী উচ্চরণ করেন তারা। 

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের (বিআইডব্লিউটিএ) ভৈরব বাজার নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার গজারিয়া বাজার ঘাটের টোল আদায়ের নামে গত প্রাং একমাস ধরে একটি আদেশ নামা নিয়ে আসনে উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের ইয়া কবীর আফিন্দী নামে এক ব্যক্তি। তিনি ওই কাগজের বলে তার লোকজন দিয়ে ওই নৌ-পথে চলাচলকারী কয়লা, বালু-পাথর বোঝাই বাল্কহেডক নৌকা আটকিয়ে প্রকাশ্যে অবৈধ ভাবে লাখ-লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা। এতে করে গজারিয়া নৌ-ঘাট এলাকার বালু-পাথর, কয়লা উঠা নামার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা চরম ভাবে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছেন। 

এ ব্যাাপারে ইজারাদার ইয়াকবীর আফিন্দির সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে ও বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন যে একটি মহল মিথ্যাচার করছে। 

এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ থানার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল আলম জানান, কেউ যদি নির্ধারিত টোলের চেয়ে অতিরিক্ত আদায় করে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা পাল বলেন, নৌ-পথে চাঁদাবজির বিষয়ে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ এসেছে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।