Opu Hasnat

আজ ১৪ জুলাই মঙ্গলবার ২০২০,

কন্যাদের দেখতে চেয়ে ডিসি, এসপি’র কাছে মায়ের আবেদন রাজবাড়ী

কন্যাদের দেখতে চেয়ে ডিসি, এসপি’র কাছে মায়ের আবেদন

রাজবাড়ীতে নিজ কন্যাদের এক নজর দেখতে ও ফিরে পেতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছে চার কন্যার চার মাতা। রবিবার সকালে ওই আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।  

আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির ঢাকার একটি টিম ও গোয়ালন্দ থানা পুলিশ গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে অভিযান চালিয়ে ৫ জন মেয়েকে নিয়ে যায়। 

তারা হলেন, যৌনপল্লীর নুর হোসেনের মেয়ে নুর আক্তার (১৫), ফজলুর মেয়ে ফারজানা (১৪), আবুল কালামের মেয়ে বৈশাখী (১৫), রাজবাড়ীর হাবাসপুরের রেজাউলের মেয়ে মুন্নী (১৭) ও ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটার সোহরাব আলীর মেয়ে মনি (২৭)। আঞ্জুমান আরা ওরফে মনিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর উদ্ধার হওয়া ওই চার মেয়ের সাথে পরিবারের কাউকে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা।

এ বিষয়ে ছাড়া পাওয়া দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাসিন্দা মনি জানান, গত ২৪ নভেম্বর আমাদের পাঁচজনকে প্রথমে থানায় পরে ঢাকায় নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। খাবারসহ সব বিষয়ে কষ্ট দেওয়া হয়েছে আমাদের। পরে আমার কান্নাকাটি শুনে ময়সিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে আমি আবার পতিতা পল্লীতে ফিরে আসি।

যৌনকর্মৗ নুর আক্তারের মা রিমা জানান, যে মেয়ে চারটিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তারা প্রত্যেকে পূর্ণ বয়স্ক। সবাই এখানেই জন্ম গ্রহন করেছে এখানেই নীজের ইচ্ছায় এ পেশা বেছে নিয়েছে। কেন নিয়ে গেছে জানি না। তবে আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ না করতে পেরে চিন্তায় আছি। তাই প্রতিকার চেয়ে ডিসি ও এসপি স্যারের কাছে আবেদন করেছি।

এ ব্যপারে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, এই অভিযানটি করেছে বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির ঢাকার একটি টিম। ওই মেয়ের স্বজনরা তাদের সাথে দেখা করতে চাইলে ব্যাবস্থা করা হবে।

 তবে উদ্ধার হওয়া মেয়ে চারটি প্রাপ্ত বয়স হয়েছে কিনা সন্দেহ আছে। তাদের কাছে কাগজপত্র থাকলে আমরা পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।