Opu Hasnat

আজ ১১ ডিসেম্বর বুধবার ২০১৯,

পাইকগাছা থানার বঙ্গবন্ধু চত্বর পরিদর্শনকালে জাতীয় মহিলা ফুটবলার সাবিনা-মাছুরা

লীগ ও স্কুল পর্যায়ের টুর্নামেন্ট থেকে অনেক প্রতিভা মেয়ে ফুটবলার তৈরী হবে খেলাধুলাখুলনা

লীগ ও স্কুল পর্যায়ের টুর্নামেন্ট থেকে অনেক প্রতিভা মেয়ে ফুটবলার তৈরী হবে

দেশের প্রতিটি খেলাধুলায় মেয়েরা এখন অনেক ভাল করছে। বিশেষ করে ফুটবলে দেশের কিশোরী মেয়েরা অনেক ভাল খেলছে। এমন একটা সময় ছিল যখন মেয়েদের জন্য ফুটবল খেলার তেমন কোন পরিবেশ কিংবা সুযোগ ছিল না। সাম্প্রতিক সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রাণালয় এবং ফুটবল ফেডারেশন মেয়েদের ফুটবল খেলার উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রাণালয়ের আওতায় দেশের প্রতিটি স্কুলে চালু করা হয়েছে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। অনুরূপভাবে ফেডারেশন আয়োজন করছে লীগ পর্যায়ের টুর্নামেন্ট। বর্তমানে যশোরে ৮০জন মেয়ে নিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আগামীতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিভাবান মেয়ে ফুটবলার বেরিয়ে আসবে। এ ধরণের উদ্যোগে নিঃসন্দেহ ভবিষ্যতে দেশের জন্য মেয়েরা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। এ ক্ষেত্রে লীগ পর্যায়ের টুর্নামেন্ট প্রতিবছর অব্যাহত রাখতে হবে। 

মেয়েদের ফুটবল খেলার প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করে আশাবাদ ব্যক্ত করেন জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের দুই তারকা ফুটবলার সাবিনা খাতুন ও মাছুরা পারভীন। সম্প্রতি পাইকগাছা থানার ওসি এমদাদুল হক শেখের আমন্ত্রণে থানার বঙ্গবন্ধু চত্বর পরিদর্শনে এসে দুই ফুটবলার এ সব কথা বলেন। এ সময় তারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে দাড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান। 

উল্লেখ্য, দু’জনের জন্মস্থান সাতক্ষীরা সদর। সাবিনা খাতুন বর্তমানে জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ও মাছুরা ডিফেন্সার হিসেবে খেলছে। সাবিনার পিতা সৈয়দ আলী গাজী, মাতা মমতাজ বেগম। ২০০৮ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ফুটবল খেলা শুরু করেন। আন্তঃজেলা পর্যায়ের খেলা থেকে সকলের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠে। ২০১০ সালে জাতীয় দলে প্রবেশ ঘটে এবং ২০১৬ সাল থেকে অদ্যাবধী অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছে। 

অপরদিকে, মাছুরার পিতা রজব আলী গাজী, মাতা ফাতেমা বেগম। ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলা শুরু করে অনেক প্রকিবন্ধকতা পেরিয়ে ২০১৪ সালে অনুর্ধ-১৬ টিমে ২০১৭ সালে কাবাডি ন্যাশনাল। এরপর থেকে জাতীয় দলের ৫ নম্বর জার্সি পরিহিত ডিফেন্সার হয়ে খেলে আসছে। তারকা এই দুই ফুটবলার বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ ধরণের একটি চত্বর ও ভাস্কার্য নির্মাণ করায় ওসি এমদাদুল হক শেখের প্রশংসা করেন। ওসি এমদাদুল হক শেখ জানান, জাতীয় পর্যায়ের এ ধরণের কৃতি ফুটবলারের সানিধ্য পেয়ে এলাকার মেয়েরা যাতে ফুটবল খেলায় উৎসাহিত এবং অনুপ্রাণিত হয় এ জন্য তাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ছিলাম।