Opu Hasnat

আজ ১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ২০১৯,

বুলবুলের তান্ডবে দুই জেলায় নিহত ৩ সারাবাংলা

বুলবুলের তান্ডবে দুই জেলায় নিহত ৩

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তান্ডবে গাছ চাপা পড়ে দুই জেলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। উপকূলীয় অঞ্চলে গাছপালা ভেঙে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। 
রবিবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এ তথ্য জানিয়েছে।

দমকা হওয়ায় গাছ উপড়ে বসতঘরের ওপর পড়ে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের উত্তর রামপুর গ্রামে হামেদ ফকির (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হন।

শনিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের উত্তর রামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হামেদ ফকিরের পেশায় ছিলেন মৎস্যজীবী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সরোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছন।

এদিকে, খুলনার দাকোপ ও দীঘলিয়ায় গাছ চাপা পড়ে দুইজন নিহত হয়েছে। 

দীঘলিয়ায় গাছ চাপা পড়ে আলমগীর হোসেন (৩৫) নামে একজন মারা গেছেন। রোববার সকালে সেনহাটি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিঘলিয়া থানার অফিসার ইন চার্জ মানষ রঞ্জন ঘোষ।

এছাড়া খুলনার দাকোপে গাছ চাপায় প্রমিলা (৫২) নামে একজন মারা গেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে চার জেলায় বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ৯ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। তাদের মধ্যে ৬ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

দুর্বল হয়ে যাওয়ার আগে দক্ষিণাঞ্চলে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোলরুম।

এর মধ্যে খুলনার কয়রা উপজেলায় দেড় হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া সাতক্ষীরার উপকূলবর্তী শ্যামনগর উপজেলার পাঁচটি গ্রাম এবং আশাশুনি উপজেলার অন্তত তিনটি গ্রামে কয়েক হাজার কাঁচাঘর ভেঙে গেছে। সেই সঙ্গে শ্যামনগরের অনেক মাছের ঘের ও ধান ক্ষেতের আল ডুবে গেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোলরুম সূত্রে আরও জানা গেছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় লালুয়া ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া ঝড়ে ভোলার লালমোহন ও চরফ্যাশন উপজেলায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।